খনি থেকে পাথর উত্তোলন বেড়েছে

বিজ্ঞাপন

দেশে খনি থেকে পাথর উত্তোলিত হয়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি পাথর উত্তোলনের রেকর্ড হয়েছে এ খনিতে। গত তিন বছরে গড়ে ৯ লাখ টনের কাছাকাছি পাথর উত্তোলিত হয়েছে খনিটি থেকে। অবশ্য খনি থেকে যত পাথর উত্তোলিত হয়, তা দেশের চাহিদার মাত্র ৫ শতাংশ।

খনি কর্মকর্তারা জানান, একসময় এই খনির পাথর অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে থাকলেও এখন বিক্রি বেড়েছে। মজুত এক লাখ টনে নেমে এসেছে। প্রতিদিন পাঁচ হাজার টনের মতো পাথর উত্তোলিত হচ্ছে খনি থেকে।

শিলা কোম্পানির আবু তালেব ফরাজী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের কোম্পানির পাথরের মান খুবই ভালো। চাহিদা বাড়ায় গত অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ, অর্থাৎ ৮ লাখ ৬৫ হাজার টন পাথর বিক্রি হয়েছে। গুণগত মান ভালো হওয়ায় কঠিন শিলার পাথর ব্যবহৃত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, রেল, সড়ক ও মহাসড়ক নির্মাণকাজে।’ তিনি আরও বলেন, সরকার যে বড় বড় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, তাতে পাথরের প্রচুর চাহিদা তৈরি হয়েছে। আগামী এক দশকজুড়ে পাথরের চাহিদা বাড়বে।

শুরুর দিকে পাথর আমদানিকারক ও প্রিমিয়ার সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিরুল হক প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশে এখন বিশ্বমানের স্থাপনা হচ্ছে। দেশে উৎপাদিত রড-সিমেন্টের মান এখন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। নির্মাণ খাতের আরেক উপকরণ ইটের খোয়া দিয়ে টেকসই স্থাপনা নির্মাণ সম্ভব নয়। এ জন্য পাথর এখন অপরিহার্য পণ্য।

জানতে চাইলে ভারত, ওমান ও দুবাইভিত্তিক পাথর রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান জেঅ্যান্ডপি এন্টারপ্রাইজের অংশীদার মোহাম্মদ এরশাদ প্রথম আলোকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পাথরের গুণগত মান অনেক দেশের চেয়ে ভালো। আবার দুবাইয়ের ফুজাইরা বন্দর থেকে পাথরের কোয়ারি খুব কাছে। ফলে খরচও তুলনামূলক কম। এ কারণে বাংলাদেশে পাথর সরবরাহের শীর্ষে উঠে এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইউএইর শহর দুবাই।

১০ অক্টোবার, ২০২০ at ১৬:২০:৪২ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আক/পিএ/ইইই