১৪ বছরে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বিজ্ঞাপন

২০০১ সালের ১৫ জুলাই মহান জাতীয় সংসদে স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে চারা রোপন করেছিলেন আজ ৫ জুন শনিবার তা ১৪ বছরে পদার্পণ করলো।

আজ পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৩ বছর পার করে ১৪ বছরে পা দিল। আজকের দিনটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস। স্বভাবতই করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের মধ্যে গাছের চারা রোপন করার উপর জোর দেয়া হয়েছে।

সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম রোস্তম আলী, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার খসরু পারভেজ এবং রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) বিজন কুমার ব্রহ্মসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।

এরপর উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ‘জনক জ্যোতির্ময়’-এ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও স্বাধীনতা চত্বরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। এদিকে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শেষে ম্যুরাল চত্বরে গাছের চারা রোপন করা হয়।

স্বাধীনতা চত্বরে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শেষে প্রফেসর ড. মোঃ হাবিবুল্লাহর সঞ্চালনায় উপাচার্য প্রফেসর ড. এম রোস্তম আলী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০১ সালে বিজ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার উপর জোর দিয়ে অবহেলিত পাবনায় প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্প পাশ করেন। পরে ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়টি আজ ১৪ বছরে পদার্পণ করলো।

ছোট্ট বিশ্ববিদ্যালয়টিতে এখন উন্নয়নের মহাযজ্ঞ চলছে। এই উন্নয়ন সমাপ্ত হলে শিক্ষার দ্বার বৃহৎ আকারে বেড়ে যাবে। সারাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে এই বিশ্ববিদ্যালয়। এখানকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণায় জাতি পাবে নতুন নতুন আবিষ্কার ও দিক নির্দেশনা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার খসরু পারভেজ বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণরা দেশকে সেবা দিচ্ছে। দক্ষ জনশক্তি তৈরী হচ্ছে। ভবিষ্যতে জ্ঞানের তীর্থস্থান হয়ে উঠবে এই বিশ্ববিদ্যালয়।

এদিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় বৃক্ষরোপন করা হয়। এসময় উপাচার্য বৃক্ষ রোপনের জন্য সবাইকে অনুরোধ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের একই দিনে রসায়ন বিভাগের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভাগের পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপন করা হয়। বিভাগের পক্ষে বৃক্ষরোপন সমন্বয় করেন শিক্ষক ফারুক আহমেদ।

আরো পড়ুন:
চিলমারীতে সামান্য বাতাসে উড়ে গেল সরকারী ঘর
চিতলমারীতে প্রানীসম্পদ প্রদর্শনী উদ্বোধনী ও সমাপনী
চৌগাছার কৃষকরা ঝিঙ্গা চাষ করে ব্যাপক লাভবান হয়েছেন

বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট প্রফেসর মো. সাইফুল ইসলাম, পরিবহন প্রশাসক প্রফেসর ড. মো. কামরুজ্জামান, গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. মো. ফজলুল হক, অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. মীর খালেদ ইকবাল চৌধুরী , প্রক্টর ড. প্রীতম কুমার দাস, গেস্ট হাউজ প্রশাসক ড. মো. হাসিবুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা ড. সমীরন কুমার সাহা, সহযোগী অধ্যাপক ড. ওমর ফারুক, অফিসার্স এসোসিয়েশন এর সভাপতি হারুনর রশিদ ডন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহাগ হোসেন, পাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম, কর্মচারী পরিষদের সভাপতি মো. মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার হোসেন পাভেল।

জুন, ০৫, ২০২১ at ১৮:১২:৪২ (GMT+06)
দেশদর্পণ/মিটি/এসআর/এমআরএইচ