মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবিতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক সংগঠন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ), ঝিনাইদহ জেলা শাখা। কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় ঝিনাইদহ মুজিব চত্বরে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে মুহাঃ আব্দুল মমিন- এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. মহি উদ্দীন, সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, কেন্দ্রীয় কমিটি ও সভাপতি, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ঝিনাইদহ জেলা শাখা।

আরো পড়ুন :

> কালীগঞ্জে চাঁদাবাজির অভিযোগে ৫ ভুয়া সাংবাদিককে কারাদণ্ড
> খুলনার রেলওয়ে কিল্ডার গার্টেনে পাখি সংরক্ষণে বনবিবি’র সভা ও গাছে মাটির পাত্র স্থাপন

মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন মো. আলমগীর হোসেন, শাহানাজ পারভীন রিপা, অধ্যক্ষ মাসুদ করিম, ইব্রাহিম খলিল, আব্দুর রাজ্জাক, নাজমুল হাসান, মো. নজরুল ইসলাম, সহ ঝিনাইদহ জেলার ছয় উপজেলা হতে সহস্রাধিক শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ। উপস্হিত বক্তরা বলেন বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারী আজ মানবতার জীবন-যাপন করছে। দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতিতে পরিবার পরিজন নিয়ে স্বাভাবিক জীবন-যাপন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই আজ শিক্ষকরা বিদ্যালয় ছেড়ে রাস্তায় মানববন্ধনে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছে।

শিক্ষকরা বহুবার সরকারের নিকট মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের দাবি করে আসছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবী মানা হয়নি। শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ, শিক্ষক-কর্মচারী অবসর গ্রহণের ৬ মাসের মধ্যে অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের পাওনা পরিশোধ করা, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ন্যায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের “প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষক” এর বেতন স্কেল যথাক্রমে ৬ষ্ঠ ও ৭ম গ্রেডে প্রদান, চাকরির বয়স সীমা ৬৫ বছরে উন্নীতকরণ, সরকারি ও বেসরকারি পাহাড় সমান বৈষম্য দূরীকরণ এবং ইউনেস্কো ও আইএলও’র সুপারিশ অনুযায়ী শিক্ষা খাতে জিডিপি’র ৬% বরাদ্দের আহ্বান জানান।

বক্তারা আরো বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে জাতীয় বাজেট পাসের পূর্বেই মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না দিলে আগামী ১১ই জুলাই ২০২৩ ইং তারিখে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থাান কর্মসূচী করবেন মর্মে শিক্ষক নেতারা হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

জুন ১৩, ২০২৩ at ১৯:৫৮:০০ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আক/কালি/ইর