পাঁচ বছরে ১২১ মানি লন্ডারিং মামলা

ছবি- সংগৃহীত।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে পাওয়া গোয়েন্দা প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাগুলো গত পাঁচ অর্থ বছরে (২০১৭-২০২২) মোট ১২১টি মানিলন্ডারিং মামলা দায়ের করেছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

রোববার সংসদের বৈঠকে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হলে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

আরো পড়ুন :

> সরকারের উন্নয়ন চিত্র  জনগণের নিকট তুলে ধরতে হবে – এমপি প্রিন্স 
> মিলিয়ন ডলারের ম্যাসেজ ক্লিক করলেই আইডি হ্যাক

আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম আব্দুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, গত পাঁচ অর্থবছরে বিএফআইইউ কর্তৃক গৃহীত ২৪ হাজার ৯৭৭টি সন্দেহজনক লেনদেন বা কার্যক্রম মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়নের সংশ্লিষ্টতা বিবেচনায় এক হাজার ২টি গোয়েন্দা প্রতিবেদন আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় পাঠানো হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, কোনো বীমাকৃত ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রিমিয়াম দিতে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ ব্যাংক তার কাছে রক্ষিত ওই ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাব থেকে সমপরিমাণ অর্থ প্রিমিয়াম বাবদ কেটে ওই ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তহবিলে জমা রাখার নির্দেশ দিতে পারবে।

আঙ্কটাডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে মাদকের কারণে প্রতিবছর পাচার হয়ে যায় ৪৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ৫ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা।

এর মধ্যে মেথামফেটামিন, হেরোইন এবং সিন্থেটিক ওপিওড যেমন বুপ্রেনরফিন এবং ফেনসিডিলের পাচার অন্তর্ভুক্ত,’ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

জুন ১১, ২০২৩ at ২১:৪৫:০০ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আক/দেপ্র/ইর