সুস্থ হলে সাজা ভোগ করতে হবে খালেদাকে

ছবি- সংগৃহীত।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সুস্থ হলে বাকি সাজা খাটতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

রবিবার (১১ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ‘ল রিপোর্টার্স ফোরাম’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

দুদকের চেয়ারম্যান খালেদা জিয়ার মামলা প্রসঙ্গে বলেন, ‘দোষী প্রমাণিত হলে তাঁকে সাজা ভোগ করতে হবে। খালেদা জিয়া দোষী কি দোষী নন, আমি তার রায় দেওয়ার কেউ নই। আমি শুধু তাঁর মামলার তদন্ত করে অভিযোগের প্রতিবেদন দিয়েছি।’

আরো পড়ুন :

> কুবিসাস ও চবিসাসের মতবিনিময় সভা
> ডিএনসিসিতে ১০০ ফুড কার্ট

২০১১ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। এদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে অনিয়মের অভিযোগে দুদক ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট খালেদা জিয়া, তাঁর ছেলে তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। এই দুটি মামলাই বিচারাধীন।

দশবছর পর জামাত ঢাকায় সমাবেশ করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদেরকে অনুমতি দেওয়ার মালিক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অতএব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করুন।

অপরাধী সংগঠন হিসেবে জামাতের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, অপরাধী সংগঠন হিসেবে জামাতের বিচার করার জন্য যথেষ্ট তথ্যপত্র রয়েছে। তবে তারা বিচারে যতক্ষণ পর্যন্ত দোষী সাব্যস্ত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত তাদেরকে অপরাধী দল হিসেবে বলা যাবে না।

খালেদা জিয়ার মামলা প্রসঙ্গে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘বার বার বলা হচ্ছে, মামলাগুলো মিথ্যা। আমি বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে বলব, মামলাগুলো আপনারা মিথ্যা প্রমাণ করে মুক্ত হয়ে যান। আমি তো চাই, সেটা আপনারা করেন, মামলা শেষ হয়ে যাক। কিন্তু আপনারাই তো তা হতে দিচ্ছেন না। বারবার কোনো না কোনো অজুহাত তুলে আপনারা মামলা উচ্চ আদালতে তুলছেন।’

খালেদা জিয়ার উদ্দেশে বদিউজ্জামান বলেন, ‘আপনি যদি বিচারে দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে আপনাকে সাজা ভোগ করতে হবে। আর আপনি যদি নির্দোষ প্রমাণিত হন, তবে আপনি মুক্ত হবেন।’

দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘সবখানেই দুর্নীতি আছে, কম আর বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে আছে, বিশ্বব্যাংকেও আছে। দুর্নীতি কীভাবে কমানো যায়, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। কারণ দুর্নীতি দেশের জন্য, জনসাধারণের জন্য এবং অর্থনীতির জন্য খারাপ।’ তিনি বলেন, ‘যখন যারা ক্ষমতায় থাকে তারা দুর্নীতির বিষয়টি নিয়ে এক ধরনের কথা বলে, আর বিরোধী দলে থাকলে অন্য ধরনের কথা বলে। আমার মনে হয় এটা পরিহার করা উচিত।’

জুন ১১, ২০২৩ at ১৫:৫৬:০০ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আক/দেপ্র/ইর