কথা রাখলেন ওসি আশরাফুল ইসলাম, ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম শেষ না হতেই হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

গাজীপুরের চাঞ্চল্যকর রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামী সোহাগ (৩৫) কে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ। রিফাত হত্যাকান্ডের ঘটনায় এলাকাবাসী ঢাকা মহাসড়ক ঘেড়াও করে।

রিফাত হত্যাকান্ডের বিষয়ে এলাকা ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে ও হত্যার রহস্য উম্মোচনের জন্য রিফাত হত্যায় জড়িতদের ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেয় টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকার দক্ষিন কেরানীগঞ্জের খেজুরবাগ এলাকা থেকে রিফাত হত্যাকান্ডের এজাহার ভুক্ত আসামি সোহাগ কে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেন টঙ্গী পূর্ব থানার উপপরিদর্শক(এসআই) মো. সাব্বির হোসাইন। গ্রেপ্তারকৃত সোহাগ, টঙ্গীর এরশাদনগর ২ নং ব্লকের বাসিন্দা খোকা মিয়ার ছেলে।

আরো পড়ুন :

> জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চান ফখরুল
> কিছুটা কমেছে সবজির দাম

পুলিশ জানায়, ৫ জুন সোমবার সন্ধ্যায় রিফাত তার প্রতিবেশী সোহাগ ও কাজলের সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে বাসা থেকে বের হন। মঙ্গলবার সকালে গাছা থানার পলাশোনা এলাকায় তুরাগ নদের পাড়ে নিহত রিফাতের মোটরসাইকেল পাওয়া যায়। পরে খোঁজাখুঁজি করে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন বিরুলিয়া এলাকার তুরাগ নদ থেকে নিহত রিফাতের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতে গাছা থানায় গ্রেপ্তারকৃত সোহাগ ও পলাতক কাজলকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন রিফাতের বাবা ফারুক হোসেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতায় কেরানীগঞ্জের অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার বিকেলে টঙ্গীর এরশাদনগরে জনতা খুনীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে।

টঙ্গী পূর্ব থানার উপপরিদর্শক সাব্বির হোসেন জানান, সোহাগ হত্যাকান্ডের পরপরই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। মঙ্গলবার নিহত রিফাতের মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

টঙ্গী পূর্ব থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, কেন কি কারণে এই হত্যাকান্ড ঘটেছে সে বিষয়ে সোহাগকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। বিষয়টি আরো অধিক তদন্ত করা হচ্ছে ও পলাতক অপর আসামি কাজলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জুন ০৯, ২০২৩ at ১৮:৩৭:০০ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আক/শেরাহা/ইর