দুইমাস ট্রেজারার পদ শূন্য যবিপ্রবিতেঃ আলোচনায় তিন অধ্যাপক

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ট্রেজারারের পদে নিয়োগ পেতে মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ শুরু করেছেন অনেকেই।গত দুই মাস ধরে ট্রেজারার পদ শূন্য রয়েছে যবিপ্রবিতে।

জানা গেছে, ট্রেজার নিয়োগের তালিকায় আলোচনায় রয়েছেন তিন অধ্যাপক তারা হলেনঃ জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবির জাহিদ, পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (ইএসটি) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কে এম দেলোয়ার হোসাইন,ফিশারিজ এন্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান।

> তীব্র তাপদাহে পুড়ছে পাট দুঃচিন্তায় কৃষক
>ঘোড়াঘাটে মোজাম পার্ক থেকে ৬ পতিতা নারী সহ ৯ জন আটক

আলোচনায় শীর্ষে রয়েছে অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবির জাহিদ। তিনি একইসাথে যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও জিনোম সেন্টারের সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এরপরে আলোচনায় রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (ইএসটি) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কে এম দেলোয়ার হোসাইন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান ও আছেন আলোচনায়। তিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ট্রেজারার হওয়ার দৌড়ে এই তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবির জাহিদ। করোনাকালীন সময়ে যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারে করোনা শনাক্তের কিট আবিষ্কার, জিনোম সিকোয়েন্সিং, প্রথম ওমিক্রন শনাক্তকরণ, নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তকরণ সহ দীর্ঘদিন ল্যাবে করোনা শনাক্তকরণে নেতৃত্ব দিয়েছেন। কিছুদিন আগে তিনি বাংলাদেশ একাডেমি অফ সায়েন্সের সহযোগী ফেলো নির্বাচিত হন। এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।

কিন্তু সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রকৌশলীকে মারধরের অভিযোগে তার নামে মামলা ও শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি ড. ইকবালের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও জানতে চেয়েছে দুদক। তবে করোনাকালীন সময়ে তার কাজের মূল্যায়ন হিসেবে তিনি ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন।

এরপরে রয়েছেন অধ্যাপক কে. এম দেলোয়ার হোসাইন। তিনি ক্লিন ইমেজের হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া গোপালগঞ্জে বাড়ি হওয়ায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি পেতে পারেন।

ট্রেজারার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমানেরও। দীর্ঘদিন তিনি সুনামের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি বিভাগের চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট ও প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ক্লিন ইমেজ ও সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে তিনিও ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা চাই এমন একজন ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব পাক যার অ্যাকাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড ভালো, ভালো রিসার্চ রয়েছে এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। আশা করছি মহামান্য রাষ্ট্রপতি এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে একজনকে নিয়োগ দেবেন।

জুন ০৮, ২০২৩ at ১৬:৪৬:০০ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আক/ফহা/ইর