গাবতলীতে আসামী ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় ২২জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার-৪,দায়িত্ব অবহেলায় তিন পুলিশকে ক্লোজ

ছবি- সংগৃহীত।

বগুড়ার গাবতলীতে পুলিশকে মারপিট করে মাদক ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র রায় (৩১)কে ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় ২২জনের বিরুদ্ধে থানায় আরো একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

অভিযুক্ত ৪জনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে আসামী ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে মডেল থানার এস আই জাহাঙ্গীর, এ এস আই ইউসুফ ও কনষ্টেবল শাহাদতকে বগুড়া পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন :
> চৌগাছায় তীব্র লোডশেডিং এ কদর বেড়েছে তালপাখার
> পাইকগাছায় শিক্ষক লাঞ্চিতের ঘটনায় শিক্ষকদের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

উল্লেখ্য, গাবতলীর মহিষাবান ইউনিয়নের মড়িয়া হিন্দুপাড়া গ্রামের রাজকুমার চন্দ্র ওরফে ওবে খোকার ছেলে মাদক ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র রায়কে গ্রেফতারের জন্য গত সোমবার বিকেলে মডেল থানার এস আই জাহাঙ্গীর, এ এস আই ইউসুফ, কনষ্টেবল শাহাদত সংবাদের ভিত্তিতে এলাকায় যায়।

খোকন চন্দ্রকে আটক করে হ্যান্ডকাপ পড়ালে খোকন ও তার পরিবারের মহিলা-পুরুষেরা ৩জন পুলিশকে মারপিট করে খোকনকে ছিনিয়ে নেয়। ছিনিয়ে নেয়ার পর থানা পুলিশ ওই রাতে মড়িয়া হিন্দুপাড়া গ্রামের জমির মাঠের মধ্যে থেকে খোকনকে ৬/৭ঘন্টা পর গ্রেফতার করে।

এ ঘটনায় রাতেই থানার এ আই জাহাঙ্গীর বাদী হয়ে খোকনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করে। এদিকে পুলিশকে মারপিট করার ঘটনায় গত মঙ্গলবার থানা পুলিশ বাদী হয়ে ১০জনের নাম উল্লেখসহ ১০-১২জনকে অজ্ঞাত করে আরও একটি মামলা দায়ের করলে ওই রাতেই পুলিশ মহিলাসহ ৪জনকে গ্রেফতার করে।

এরা হলো, মড়িয়া হিন্দুপাড়া গ্রামের মৃত বিমল চন্দ্রে ছেলে বিধান চন্দ্র (৬০), মনি চন্দ্র রায়ের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী (৫৭), বিধান চন্দ্রের স্ত্রী চাপা রানী রায় (৩৮) ও নিরাশ চন্দ্র রায়ের স্ত্রী অর্চনা (৩২)। গ্রেফতারকৃতদের গতকাল জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি মডেল থানার মিডিয়া অফিসার এসআই শরিফুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।

জুন ০৭, ২০২৩ at ২০:৪৩:০০ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আক/আই/ইর