রাত পোহালেই যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন

বিজ্ঞাপন

চলছে শেষ মুহূর্তের দৌড়ঝাঁপ। আদালত পাড়ায় বইছে ভোটের হাওয়া। প্রার্থীরা কখনো একা, কখনো দল বেধে যাচ্ছেন ভোটারদের কাছে। তুলে দিচ্ছেন লিফলেট। দিচ্ছেন হরেক রকম প্রতিশ্রুতিও। ভোটারদের নজর এখন শীর্ষ পদের দিকে। রাত পোহালেই যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন। তাই চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

এবার নির্বাচনে সভাপতি পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস থাকলেও সাধারণ সম্পাদক পদে নিরুত্তাপ ভোট হবে বলে দাবি করছেন কেউ কেউ।

অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামে। গত নির্বাচনের আগে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সভাপতি আবু মোর্তজা ছোটর বহিষ্কার মেনে নিতে পারেননি দলের বড় একটি অংশ। তারপর থেকেই তারা ফোরাম থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রেখেছেন। এসব কারণ ভাবিয়ে তুলেছে ফোরামের সদস্যদের। গতবারের মতো এবারো যেনো ফোরামের ভরাডুবি না হয় সেদিকে নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানাচ্ছেন তারা।

জানাযায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি পদে মোহাম্মদ ইসহক ও সাধারণ সম্পাদক পদে নুরুল ইসলাম সিদ্দিকী চুন্নু প্রার্থী হয়েছেন। ইসহক- চুন্নু পরিষদকে সমর্থন দিয়েছে গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতিও।

সাধারণ ভোটারদের দাবি, মোহাম্মদ ইসহক এর আগেও সভাপতি ছিলেন। তার অভিজ্ঞতা রয়েছে। কিন্তু সাধারণ সম্পাদক পদে চুন্নুর অবস্থান অনেকটা পিছিয়ে। অন্যদিকে, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতৃত্বে মহাজোট প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী শরীফ নুর মো. আলী রেজা ও সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শাহানুর আলম শাহীন রয়েছেন। তারা আশাবাদী প্যানেলসহ জয়লাভ করার বিষয়ে।

যদিও সভাপতি পদে এই প্রথম অংশ নিয়েছেন শরীফ নুর মো. আলী রেজা। তার জয় নিশ্চিত বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

আরো পড়ুন:
নৌকার বিপক্ষে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় শার্শায় ৩ ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার
স্কুল ছাত্রী অপহরণ মামলায় এক জন গ্রেপ্তার

এছাড়া বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শাহানুর আলম শাহীন আবারো মহাজোটের প্রার্থী হয়েছেন। করোনার সময় তিনি সাধারণ আইনজীবীদের পাশে থেকে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এছাড়া সমিতির তরুণদের একটি বড় অংশ শাহীনের পক্ষে মাঠ চষছেন। ফলে, সে হিসেবে অনেকটা এগিয়ে রেখেছেন শাহীনকে।

এ বিষয়ে শাহানুর আলম শাহীন বলেন, নির্বাচন বলে কোনো কথা নয়, জয় পরাজয় হতেই পারে। তিনি আইনজীবীদের পাশে আগেও ছিলেন, এখনো আছেন, আগামীতেও থাকবেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট ইসমত হাসার বলেছেন, সকল প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। আগামী শুক্রবার সকাল নয়টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে পাঁচশ’১০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

নভেম্বর ২৫.২০২১ at ১৫:৫৩:০০ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আক/গ্রাক/জআ