বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে নৌকার ভরাডুবি হতে পারে পেকুয়ার ৩ ইউপি নির্বাচনে!

ইউনিয়ন নির্বাচন
ছবি: প্রতীকী
বিজ্ঞাপন

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর বিপক্ষে বিদ্রোহী প্রার্থীরা নির্বাচনী মাঠে থাকায় নৌকা প্রতীকের ভরাডুবি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন রাজাখালী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম চৌধুরী বাবুল। তিনি গতবারের আগের বার নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। সেই বারে তিনি সারাদিন ঘুমে দিন কাটিয়েছেন।

ছিল না এলাকার কোন বিচার শালিশ, ছিল না এলাকার উন্নয়ন। ফলে বঞ্চিত হতে হয়েছে রাজাখালী ইউনিয়নের বাসিন্দাদেরকে। তিনি আর ঘুমাবেনা এবার জনগনের সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৩য় দফা ইউপি নির্বাচনে এবারও তিনি নৌকার মনোনয়ন নিয়ে মাঠে নেমেছেন। পেয়েছেন জনগণের আস্তা ও ভালোবাসা। বিজয় নিশ্চিত করতে গেলে কাটা হয়ে দাঁড়ায় বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান এককালের আতংকের নাম ছৈয়দ নুর।

তিনি যদি বা অশিক্ষিত গতবারের ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মরহুম আজমগীর চৌধুরী কে হারিয়ে বিপুল ভোটে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এবারও তিনি দলীয় মনোনয়ন চেয়েও পাননি। অবশেষে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে মাঠে নেমেছেন দলীয় সিদ্ধান্ত কে উপেক্ষা করে। দলীয় ভাবে পদ পদবী থেকে বহিষ্কার কিংবা আজীবন বহিষ্কার কে কোন ধরনের পাত্তায় না দিয়ে তিনি প্রচার প্রচারণায় চালিয়ে যাচ্ছেন।

নৌকার মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম চৌধুরী বাবুল বলেন দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে তিনি মাঠে নৌকার প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে মাঠে নেমেছেন। তার বিষয়ে উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব কে অবগত করা হয়েছে। বিদ্রোহী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান চেয়ারম্যান ছৈয়দ নুর জানান তিনি সাধারণ জনগনের ভালবাসায় প্রার্থী হয়েছেন। এলাকার অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত করতে আবারও ভোট প্রার্থনা করেছেন।

এদিকে উজানটিয়া ইউনিয়ন ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও বর্তমান দুই দুই বারের চেয়ারম্যান এটি এম শহিদুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে মাঠে চষে বেড়াচ্ছেন। তারই বিরোধীতা করে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল করিম। তিনি দলীয় মনোনয়ন চেয়েও পাননি। শহিদুল ইসলাম চৌধুরী গত দু দু বার নৌকার মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবারও একবুক আশা নিয়ে মাঠে নেমেছেন।

এলাকার অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত করতে ভোট প্রার্থনা করে যাচ্ছেন। তারই সাথে এবার পরিবর্তন চাই জনগন এ শ্লোগানে ভোট প্রার্থনা করেছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল করিম। তিনি ইউনিয়নের দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে গণসংযোগ সহ নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতোপূর্বে তাকে দলীয় মনোনয়ন না দেওয়ার প্রতিবাদে সড়কে কলা গাছ রোপন করে প্রতিবাদ জানিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীরা। তিনি দলীয় সিদ্ধান্ত কে তোয়াক্কা না করে পদ পদবীর মায়া ছেড়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছে বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। ফলে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিয়ে অনিশ্চিত তৈরী হয়েছে।

দলীয় নেতা-কর্মীদের অভিযোগ শহিদুল ইসলাম চৌং ক্ষমতাসীন দল থেকে গতবার বিজয়ী হন। তবে তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর আ’লীগের নেতা-কর্মীরা সবচেয়ে বেশী বঞ্চিত ও নিগৃহীত হন। সামাজিক ঝুঁকি হ্রাসকরণে সরকার থেকে প্রেরিত সকল সুযোগ সুবিধা থেকে দূরে রাখা হয় দলীয় কর্মীদের। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী সুফল ভোগী ছিলেন আ’লীগের বিপরীত অংশ। দলীয় চেয়ারম্যান হলেও ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি-সম্পাদকসহ দলটির নেতা-কর্মীদের সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকতে হয়েছে। অবমূল্যায়ন ও বঞ্চিতরা এবারের ইউপি নির্বাচনে শহীদ চেয়ারম্যানের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বরাদ্ধপ্রাপ্ত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী এম, শহিদুল ইসলামকে নিয়ে অসন্তোষ বিরাজ করছে উজানটিয়ায় ইউনিয়ন আ’লীগে। দলের সকল স্তরের নেতা-কর্মী নির্বাচনে তাকে বয়কট করেছেন। তারা মনোনয়ন ঘোষণার পর এম, শহিদুল ইসলাম চৌংকে উজানটিয়ায় অবাঞ্চিতও ঘোষনা করেন। দলীয় প্রার্থী থেকে তার নাম বাতিল চেয়ে শত শত নেতা-কর্মীরা রাস্তায় নামে। এ সময় উজানটিয়া ইউনিয়নের প্রত্যেক প্রান্তে বিক্ষুদ্ধ নেতা-কর্মীরা সড়কে কলাগাছ রোপণ করেন। অভিনব কায়দায় তারা নৌকা মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচীও পালন করে। ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে উজানটিয়ায় ক্ষমতাসীন দল আ’লীগের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম অন্ত:কোন্দল। অন্ত:দ্বন্ধ এক পর্যায়ে প্রকট আকার ধারণ করে।

স্থানীয় রাজনৈতিক সচেতন মহল মন্তব্য করেছেন এ দ্বন্ধ আরও অধিক ঘনীভূত হবে। ২৮ নভেম্বর পেকুয়ায় ৬ টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্টিত হবে। নির্বাচনে এখনো প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্ধ পাননি। তবে ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে পেকুয়ায় প্রচার প্রচারণা তুঙ্গে। প্রার্থীরা ছুটছেন প্রচার প্রচারনায়। ইউপি নির্বাচনে উজানটিয়ায় এবারে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন ৮ জন। তবে ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীকে হেভিওয়েট হিসেবে দেখছেন ভোটাররা। ১ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি জামাল হোসেন ও সাধারন সম্পাদক মাহমাদুল হক বলেন, দলীয় প্রার্থী বিবেচনায় ভূল সিদ্ধান্ত এসেছে। ২ নং ওয়ার্ড সভাপতি জয়নাল আবেদীন বলেন, মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে। আমরা তালিকায় নাম পাঠিয়েছিলাম তোফাজ্জল করিমকে ১ নম্বরে। কিন্তু এর প্রতিফলন হয়নি। দলীয় নেতা-কর্মী একজনও বর্তমান দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নেই। সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম বলেন, এখানে তোফাজ্জলকে দলীয় প্রার্থী করা জরুরী ছিল। শহীদ চেয়ারম্যানের কাছে নেতা-কর্মীরা অবমূল্যায়ন হয়। যার ফলে এবার সবাই তার বিপক্ষে। ৩ নং ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি আবদুল গফুর বলেন, মানুষ জিম্মী থেকে উত্তরণ চান। এক জায়গায় বার বার ক্ষমতা যাচ্ছে। দেমাক অহংকারের কারণে নেতারা ওই প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক বলেন, আমরা নিজেরাই তোফাজ্জলকে নিয়ে মাঠে নেমেছি। তাকে বিজয়ী করবো ইনআল্লাহ।

৫ নং ওয়ার্ডের সভাপতি এনামুল হক বলেন, তোফাজ্জল করিম এখানকার আ’লীগের রাজনীতির প্রাণস্পন্দন। আমরা তাকে পেয়েছি দু:সময়ে। সাধারন সম্পাদক আশেক ইলাহী বলেন নেতা-কর্মীরা শহীদ চেয়ারম্যানকে পছন্দ না করছেন। আমরা রাস্তায় নেমে তাকে দলীয় মনোনয়ন থেকে বাদ দেয়ার জন্য প্রতিবাদ করেছি। বহিষ্কার করলেও তোফাজ্জলকে নিয়ে মাঠে থাকবো। ওয়ার্ড কমিটির সকল নেতা-কর্মী আমরা এক ও অভিন্ন। যুবলীগ উজানটিয়ার সভাপতি মহিউদ্দিন জানান, তোফাজ্জল জনপ্রিয় প্রার্থী। হুমকি দিয়ে লাভ নেই। আপনিতো চেয়ারম্যান ছিলেন। তখন দলীয় নেতা-কর্মীদের খোঁজ খবর নিয়েছেন কিনা। সাধারন সম্পাদক মিজবাহ উদ্দিন বলেন, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ প্রয়োজন। বাংলাদেশে অনেক ইউনিয়ন পরিষদে এবারের নির্বাচনে দলীয় প্রতীক উম্মুক্ত করে দিয়েছেন। আমরা চাই উজানটিয়াতেও সেটি হউক। কৃষকলীগ উজানটিয়ার সভাপতি জাকের আহমদ বলেন, এখানে তোফাজ্জলের বিকল্প নেই। বেশীদিন ক্ষমতায় থাকলে চোখ কান অন্ধ হয়ে যায়। ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক শাহ জামাল মেম্বার বলেন, আসলে নেতা-কর্মীরা বর্তমান চেয়ারম্যান শহীদের পক্ষে নেই। ৫ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারন সম্পাদক আবু তৈয়ব বলেন, মানুষ এবার খারাপ আচরণকারীর বিপক্ষে অবস্থান নিবে। দল ভূল সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। জনগন একপক্ষে আর নৌকার প্রার্থী অন্যদিকে। ইউনিয়ন আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাছির উদ্দিন বলেন, উজানটিয়া এখনো উন্নয়নের দিক থেকে অবহেলিত। মানুষ পরিবার কেন্দ্রিক ক্ষমতা থেকে বেরিয়ে আসতে চান। ইউনিয়ন কমিটি বলেন, ওয়ার্ড কমিটি বলেন, অঙ্গ সহযোগী সংগঠনসহ সবাই আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। ভোট দেব তোফাজ্জল ভাইকে।

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি এম, তোফাজ্জল করিম বলেন, শহীদ চেয়ারম্যান জনবিচ্ছিন্ন। তাকে মানুষ আর চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাননা। আমি প্রার্থী হতে চাইনি। কিন্তু আ’লীগের শত শত নেতা-কর্মীদের অনুরোধে আমি ভোট করছি। মানুষ আমার পক্ষে মাঠে নেমেছি। প্রতিদিন শত শত মানুষ গণসংযোগে যুক্ত হচ্ছে আমাকে জেতাতে। উজানটিয়াবাসীর অধিকার নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেবনা। আমি বঙ্গবন্ধুর কর্মী। জীবনে ৪০ টি বছর আ’লীগের জন্য এ জনপদে সময় দিয়েছি। আপোষ করেনি। দু:সময়ে কর্মী হিসেবে দলীয় নেতা-কর্মীরা আমাকে নিয়ে ভাবছেন। তাদেরকে ফেলে যেতে পারেনি। আশা আকাংখার প্রতিফলন ঘটানোর জন্য আমি আ’লীগের তৃণমূলের প্রার্থী। উজানটিয়ায় এসে দেখে যেতে বলবো সবাইকে।

নৌকায় মনোনয়ন পাওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থী শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী নাম দিয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত বেতি রেখে যারা মাঠে নামে তারা প্রকৃত বঙ্গবন্ধুর লীগ নই তারা জাফরলীগ। বিদ্রোহী প্রার্থীর বিষয়ে কেন্দ্রীয় নিদের্শনা জারি করা হয়েছে তা জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ সিদ্ধান্ত নিবেন। এ বিষয়ে আমি তাদেরকে অবগত করেছি। তিনি আরো দাবী করেন নেতাকর্মীরদের কে নানা ভাবে চাপ সৃষ্টি করতেছে এমপি জাফর। তিনি নানা কৌশলে নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী সৃষ্টি করিয়েছেন। এমনকি চকরিয়া থেকে পেকুয়ার নির্বাচনে প্রিইজাডিং সহকারী প্রিইজাডিং অফিসার দেওয়ার জন্য পরিকল্পনা করেছেন।

এ বিষয়েও আমি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি। এলাকার অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ করার পুনরায় সুযোগ প্রার্থনা করে তিনি বলেন আমার সাধ্যমত চেষ্টা করেছি এলাকার উন্নয়ন করতে। আমার জীবনের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত এ এলাকার মানুষের সেবা করে যাবো ইনশাআল্লাহ। এ দিকে পেকুয়া সদর ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় নৌকায় মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম। তিনি এর আগেও বেশ কয়েকবার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে হারিয়ে যান। তিনি প্রথমে প্রয়াত চেয়ারম্যান মোকতার আহমদ চৌধুরীর কাছ থেকে এবং পরবর্তী নির্বাচনে বাহাদুর শাহর কাছ থেকে বিপুল ভোটে হারিয়ে যান।

আরো পড়ুন :
নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন কোটচাঁদপুরে আ.লীগের ১৭ বিদ্রোহী প্রার্থী বহিষ্কার
শার্শায় ইউপি নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীকে কুপিয়ে জখম

এ থেকে মানুষের পাশে থেকে সরে যাননি এলাকার মানুষের সুখে দুখে পাশে ছিলেন। তিনি এবার আপ্রাণ চেষ্টা করে নানা কৌশলে নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন। তার স্বপ্ন পূরর্ণে তিনি বার বার হেরে গেলেও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সরে যায়নি। তিনি দীর্ঘকাল পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মানুষের সেবাই নিয়োজিত ছিলেন। মহামারি করোনায় তিনি এলাকার মানুষের দূভোর্গে অসহায় মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন এনজিও সংস্থার মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দিয়েছিলেন।

এছাড়া ও বেড়িবাঁধ রক্ষা ও বিভিন্ন এলাকার নানা সমস্যা সমাধানে তৎপর ছিলেন। চেয়ারম্যান হওয়ার সেই বহুদিনের স্বপ্ন পূরর্ণে তিনি ভোট প্রার্থনা করছেন। এবার নৌকার বিজয় আনতে সকল নেতাকর্মীদের কে সাথে নিয়ে ভোট আদায়ের কৌশলে নেমেছেন। এদিকে নৌকার মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে টেলিফোন প্রতীকে নির্বাচন করছেন যুবলীগ নেতা আলহাজ্ব ওমর রিয়াজ চৌধুরী। তিনি ইতোমধ্যে এলাকায় বেশ সাড়া পেয়েছেন। তিনি এলাকার উন্নয়নে একবার ভোট প্রার্থনা করছেন।

এ প্রসঙ্গে নৌকার মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম বলেন এলাকার উন্নয়নে একবার সুযোগ দিন। আমি দুর্দিনে ও মানুষের পাশে ছিলাম। নৌকার বিজয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। মহামারী করোনায় অসহায় মানুষের পাশে থেকে আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করেছিলাম। নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থীর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি দলীয় ভাবে সিদ্ধান্ত নিবেন বলে জানান। স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব ওমর রিয়াজ চৌধুরী বলেন আমি জনগণের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে যাচ্ছি।

নভেম্বর ১৭.২০২১ at ২২:৪৯:০০ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আক/এসএমজু/রারি