পেকুয়া সদর ইউপি নির্বাচনে নৌকা’র মনোনয়নে এগিয়ে ব্যবসায়ী মুকুল

বিজ্ঞাপন

আসন্ন কক্সবাজারের পেকুয়ার সদর ইউপির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা না হলেও থেমে থাকেনি প্রার্থীরা। তবে তৃতীয় ধাপে ঘোষণা আসতে পারে এ ইউপির নির্বাচনী তফসিল। সেই নির্বাচনী তফসিল ঘোষনার আশায় বুক বাধে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় মাঠে চষে বেড়াচ্ছেন প্রার্থীরা।

এবার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে নৌকার মনোনয়ন পেতে জেলা ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের কাছে জোর লবিং শুরু করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম, আওয়ামী লীগ নেতা সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম, আওয়ামী পরিবারের সন্তান ও সাবেক ছাত্র নেতা ব্যবসায়ী এ, কে এম মহিউদ্দিন বাবর (মুকুল)। এছাড়াও নৌকার মনোনয়ন পেতে লবিং শুরু করছেন প্রবাসী আওয়ামী লীগের নেতা ওমর রিয়াজ চৌধুরী, সাবেক ছাত্র লীগ নেতা নাছির উদ্দিন বাদশা।

তবে নির্ভরযোগ্যসূত্রে জানা যায়, এ প্রার্থীদের মধ্যে জোর লবিং এ নৌকার মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে আছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও শিক্ষানুরাগী, তরুণ সমাজসেবক, প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ী মুকুল এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী এ কে এম মহিউদ্দিন বাবর( মুকুল)।

তিনি পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের শেখেরকিল্লাঘোনা এলাকার মরহুম ছালেহ আহমদ প্রকাশ মধু মাঝির কনিষ্ঠ পুত্র।

পারিবারিক পরিচয়ে এ কে এম মহিউদ্দিন বাবর মুকুলের পিতা প্রয়াত ছালেহ আহমদ প্রকাশ মধু মাঝি, পেকুয়াসহ এ অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধের চেতনা ও এ ধারার রাজনীতিকে ধারণ করছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ প্রতিষ্টিত সময় থেকে মধু মাঝি নিপীড়িত মানুষের পক্ষে সংগ্রাম করছিলেন। এক সময় শ্রেণী বৈষম্য ছিল প্রকট। ধনী ও দরিদ্রদের মধ্যে এ বৈষম্য অধিক তফাৎ ছিল। উচ্চ শ্রেণির মানুষরা দরিদ্রদেরকে করতেন চরম অবহেলা। সে সময় গরীব মানুষের অধিকার নিয়ে প্রতিবাদ করতেন এ কে এম মহিউদ্দিন বাবর মুকুলের বাবা ছালেহ আহমদ প্রকাশ মধু মাঝিরা।

এ কে এম মহিউদ্দিন বাবর মুকুল তার বাবার আদর্শকে ধারণ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে স্কুল জীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হন। এরপর চট্টগ্রাম সরকারী সিটি কলেজেও তিনি ছাত্রলীগের প্রভাবশালী নেতা হন। চট্টগ্রাম আইন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদে অধিষ্টিত হন।

তারই বড় ভাই এস,এম গিয়াস উদ্দিন পেকুয়াসহ কক্সবাজার জেলার আওয়ামী রাজনীতিতে অত্যন্ত পরিচিত।

তিনি চট্টগ্রাম আইন কলেজের সাবেক ভিপি এবং জেলা আ’লীগের বর্তমান ও সাবেক কমিটিতে প্রভাবশালী সদস্য পদে আসীন হন।

মহিউদ্দিন বাবর মুকুলের বড় ভাই প্রয়াত মোহাম্মদ আলী বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর চৌকস অফিসার ছিলেন। অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে থেকে রাষ্ট্রকে সেবা দিয়েছেন। ওসি মোহাম্মদ আলী অত্যন্ত দক্ষ ও কর্মঠ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে কাজ করেছেন। বিশেষ করে কম্বোডিয়া, কসোভো ও আফ্রিকার কিছু দেশেও মুকুলের বড় ভাই ওসি মোহাম্মদ আলী অত্যন্ত নিষ্টা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করেছেন। এ দেশের পরিচয়কে বিদেশে উজ্জল করেছেন। এ জন্য তার বড় ভাই ওসি মোহাম্মদ আলীকে জাতিসংঘ শান্তি মিশন থেকে একাধিকবার পুরষ্কৃত করেছিলেন। তার আরেক বড় ভাই আবু তালেবও পেকুয়ায় উপজেলা কৃষকলীগের কমিটিতে কৃষকলীগের উপজেলার সাবেক আহবায়ক ছিলেন।

কর্মময়জীবনে এ কে এম মহিউদ্দিন বাবর মুকুল একজন প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ী। মুকুল এন্টারপ্রাইজ নামে তার প্রতিষ্টিত ব্যবসা প্রতিষ্টান রয়েছে। দেশের অবকাঠামো খাতের উন্নয়নে এ প্রতিষ্টানের সুদুরপ্রসারী অবদান সর্বজন প্রশংসিত। এ প্রতিষ্টানের মাধ্যমে তিনি পেকুয়ার অনেক বেকার যুবককে কর্মসংস্থানের পথ সুগম করেছেন। প্রায় ৫ শতাধিক যুবককে তার প্রতিষ্টানে ৯৮ সাল থেকে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরী করে দিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি এলাকায় অসহায় মানুষের সাহায্যের জন্যও হাত প্রসারিত করেছেন। যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অভাব অনটনের সময় দুর্গত মানুষের পাশে এগিয়ে এসেছেন। এমনকি মহামারি করোনা পরিস্থিতিতে তিনি মানুষকে অর্থ ও খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানেও শিক্ষা বিস্তারের জন্য তার প্রশংসনীয় উদ্যোগ ও দৃষ্টিভঙ্গি সুদুরপ্রসারী।

এছাড়াও পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেন সরবরাহ ও সংরক্ষনের উদ্যোক্তাও তিনি।

এদিকে নির্বাচনী মাঠে পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে তরুণ রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী এ কে এম মহিউদ্দিন বাবর মুকুল। তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের আগ্রহকে ঘিরে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ভোটারদের মাঝে বেশ প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে তাকে নিয়ে আগ্রহ সদর ইউনিয়নের জনগনের। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে পেকুয়ায় আগাম নির্বাচনী কর্মচাঞ্চল্য বিরাজ করছে সর্বত্রে।

স্থানীয় ভোটাররা জানান, পেকুয়া সদর ইউনিয়ন উপজেলার মধ্যে সর্ববৃহৎ ইউনিয়ন। গ্রামীণ পরিসেবায় হাজার হাজার মানুষ সরকারের স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্টান ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নাগরিক সেবা নেন। তাই কাকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান বানালে এখানকার উন্নয়ন ও আর্থসামাজিক অবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন কে আনবে, এখন এ সব নিয়ে চুলছেড়া বিচার বিশ্লেষন চলছে। মানুষ কার কাছে নিরাপদ। মানুষ ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ কিভাবে ঘটবে সে নিয়েও চলছে আলোচনা। সেই সাথে চলছে নানা সমালোচনা ও।

আরো পড়ুন:
মা-ইলিশ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে পাবনার বেড়া উপজেলা প্রশাসন
চিতলমারী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভা

স্থানীয় ভোটাররা আরো জানিয়েছেন যে কোন কঠিন মুুহুর্ত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মহিউদ্দিন বাবর মুকুল মানুষের কাছে উপস্থিত হয়েছেন। মানুষের মানবিক দুর্গতি কমাতে গিয়েছেন ত্রাণ ও খাদ্য সামগ্রী নিয়ে। পেকুয়া সদরের ভোটারদের অন্তরে অনেক আগে থেকেই জায়গা করে নিয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী এ কে এম মহিউদ্দিন বাবর মুকুল। তিনি এখন পেকুয়াকে সাজাতে চান। তিনি আ’লীগের নেতা-কর্মীদের কাছেও ক্লিন ইমেজের প্রার্থী।

তৃণমূল আ’লীগের কর্মীরা বলেছেন, আমরা নৌকা দিতে চাই মহিউদ্দিন মুকুলকে। তিনি পরিবর্তন ঘটাতে পারবেন। অন্য কারো দ্বারা মোটেই সম্ভব নয়। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আহবান করবো সৎ, নীতিবান ও আদর্শের প্রতিচ্ছবি একেএম মহিউদ্দিন বাবর মুকুলকে আপনি দল থেকে মনোনয়ন দিন। তিনি দলের দু:সময়ের নেতা কর্মীদের নিয়ে এ পেকুয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

এ কে এম মহিউদ্দিন বাবর মুকুল বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে যদি নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দেন তাহলে আমি সকল জনগণ ও আওয়ামী পরিবারের সকল নেতাকর্মীদের কে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে পেকুয়া সদর ইউপির চেয়ারম্যান পদটি বি এনপির দখল থেকে মুক্ত করবো ইনশাআল্লাহ। আমাকে যদিও বা এবার মনোনয়ন না দেন তাহলে আমি ক্ষুদ্ধ হবো না নৌকার মনোনয়ন যাকে দিবেন তার পক্ষে কাজ করে যাবো নিঃস্বার্থ ভাবে। সকল কে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এই ইউপিকে দখল মুক্ত করতে। আমি সকলের পাশে থেকে মানুষের সেবা করতে চাই। আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

অক্টোবর  ১০.২০২১ at ১৭:০৬:০০ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আক/এএজ/জআ