টাপুরকে মায়ের কাছে পৌছে দিলেন হৃদয়ে ঝালকাঠি সংগঠন

বিজ্ঞাপন

ঝালকাঠি থেকে সুশান্ত শীল ও তার ১৩ মাসের মেয়ে টাপুরকে নিয়ে শনিবার ২৪ জুলাই সকালে ভাড়া গাড়িতে করে ঢাকার মিরপুরের মায়ের কাছে পৌছে দেয়ার উদ্দেশে হৃদয়ে ঝালকাঠি সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা রওনা দিয়েছেন।

কঠোর লকডাউন শুরুর আগে স্ত্রী সুমা শীলকে নিয়ে বরিশাল লঞ্চঘাটে আসেন সুশান্ত শীল। স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে যাবেন রাজধানীর মিরপুরের শ্বশুরবাড়িতে। সুশান্তের কোলে ছিল টাপুর ও সুমার কোলে ছিল টুপুর। ভিড়ের কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে জান। ঘাটে তিনি যখন হন্যে হয়ে তাদের খুঁজছিলেন, তখন বেজে ওঠে মোবাইল ফোন।

অপর প্রান্ত থেকে স্ত্রী জানান, তিনি আছেন সুন্দরবন লঞ্চে। কিন্তু তখন আর ঢাকায় যাওয়ার উপায় নেই সুশান্তের। কারণ ঘাট ছেড়ে যায় সব লঞ্চ। পরে টাপুরকে নিয়ে ঝালকাঠির কিস্তাকাঠি আবাসনের বাড়িতে ফিরে আসেন সুশান্ত।

এ বিষয়ে বিভিন্ন গনমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির সভাপতি আসিফ ইকবাল শুক্রবার রাতে যান ঝালকাঠি সদরের উত্তর কিস্তাকাঠি আবাসনের ২৪ নম্বর ব্যরাকে সুশান্তু ও টাপুরের কাছে। গিয়ে দেখা যায় টাপুরকে সুজি রান্না করে খাওয়াচ্ছিলেন সুশান্ত। শুসান্ত জানান ঘুম থেকে উঠেই মা ও বোনকে খুঁজতে থাকে টাপুর। মেয়েকে একা সামলাতে ও খুশি রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন।সংগঠনের কর্মকর্তা আসিফ টাপুরকে রাজধানীতে মায়ের কাছে পৌঁছে দেয়ার প্রস্তাব দেন।

তাতে মুহূর্তেই রাজি হয়ে যান সুশান্ত। হৃদয়ে ঝালকাঠি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি আসিফ জানান- আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে আমি এবং আমার অন্যান্য কর্মকর্তা ও উপদেষ্টাদের আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে এই দায়িত্ব নিয়েছি।