চিনি পরিহারে মিলবে আশ্চর্য পাঁচ উপকার!

বিজ্ঞাপন

অনেকেই মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে বেশ পছন্দ করেন। নিশ্চয়ই জানেন, চিনি স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। এক কথায়, চিনিকে সাদা বিষ হিসেবেই বলা হয়। এরপরেও চিনি ও চিনিযুক্ত খাবার খাওয়া হয়েই যায়।

তবে একটু চেষ্টা করলেই আপনার খাদ্যাভ্যাস থেকে চিনি ও চিনিযুক্ত খাবারকে সম্পূর্ণভাবে বাদ দেয়া সম্ভব। জানেন কি, চিনি পরিহার করার রয়েছে আশ্চর্য পাঁচ উপকার। চলুন জেনে নেয়া যাক চিনিযুক্ত খাবার পরিহার করলে কী ধরণের উপকারিতা পাওয়া সম্ভব হবে-

ওজনকে নিয়ন্ত্রণ

ওজন বাড়া-কমা কিংবা ফ্ল্যাকচুয়েট করার এই সমস্যাটির পেছনে দায়ী থাকে চিনি। চিনির ক্যালোরি ও ফ্যাট ওজনের উপর নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করে, যার ফলে ওজনের এমন সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। চিনি গ্রহণ বন্ধ করার ফলে ওজন বাড়া-কমার পরিবর্তে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে এবং স্থিতিশীল থাকে।

খাদ্য পরিপাকে উন্নতি

চিনি গ্রহণ বন্ধ করা হলে খাদ্য পরিপাক ক্রিয়ায় তুলনামূলক অনেকখানি উন্নতি দেখা দেবে। চিনি বাদ দেয়ার সঙ্গে বাদ দিতে হবে প্রসেসড খাবারও, কারণ প্রক্রিয়াজাত খাবারে থাকে বেশ ভালো পরিমাণ চিনির উপস্থিতি। এমন খাবার গ্রহণ বন্ধ করে দেয়া হলেই পাকস্থলী অনেকখানি সুস্থ বোধ করবে এবং গ্রহণকৃত খাদ্য ভালোভাবে পরিপাক করবে। এতে করে পেটের সমস্যা দেখা দেয়া কমে যাবে অনেকাংশে।

হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে

চিনি গ্রহণে খুব সহজেই ইনস্যুলিনের মাত্রা বেড়ে যায়। যা থেকে সিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমের উপর প্রভাব পড়ে এবং এতে করে হার্টবিট স্বাভাবিকের চাইতে বেড়ে যায় অনেকখানি। চিনি গ্রহণ বন্ধ করলে হার্টবিট বেড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেবে না এবং সবার আগে এই উপকারিতাটি পাওয়া যাবে। এছাড়া চিনি পরিহারে কোলেস্টেরলের মাত্রা ১০ শতাংশ এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসে। যা হৃদরোগ রোধ করতে খুব ভালো কাজ করে।

ব্রণের সমস্যা দূর হবে

চিনি গ্রহণে ব্রণের সমস্যা দেখা দিবেই। চিনি গ্রহণ বাদ দিয়ে দেয়ার এক সপ্তাহের মাঝেই ত্বকের ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাবে। চিনি বা চিনিযুক্ত খাবার ইনস্যুলিনের মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়, যা ত্বকের সমস্যা তৈরি করে। যাদের ত্বকজনিত সমস্যা বেশি রয়েছে, তারা খাদ্যাভ্যাস থেকে চিনি ও চিনিযুক্ত খাবার বাদ দেয়ার চেষ্টা করুন।

মিষ্টি খাবারের ক্রেভিং দেখা দেবে না

মিষ্টি জাতীয় খাবার ও চিনি গ্রহণের সবচেয়ে নেতিবাচক দিকটি হলো, ঘনঘন মিষ্টি জাতীয় খাবারের ইচ্ছা বা ক্রেভিং দেখা দেয়া। মিষ্টি খাবারে অভ্যস্ততা চলে আসলে সময়ে সময়ে মিষ্টি খাবার খাওয়া না হলে তার প্রতি প্রচন্ড আকর্ষণ তৈরি হয়। ফলস্বরূপ বেড়ে যায় ওজন। তবে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চিনি গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে পারলে এই সমস্যাটি কেটে যাবে সহজেই।

জুন ২৯, ২০২০ at ১৩:১৭:৪২ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আক/ডিবি/এমএআর