জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গার অভিযান অব্যাহত

পবিত্র রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়ের সার্বিক নির্দেশনায় এবং জেলা প্রশাসক মহোদয়, চুয়াডাঙ্গার সার্বিক তত্ত্বাবধানে বুধবার (২৯ এপ্রিল) তারিখে চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার কেদারগঞ্জ মাছ-মাংস-মুরগি, সবজি বাজার এবং মুদিখানার দোকান, স্টেশনের পাশে গমপট্টিতে অবস্থিত চাউলের আড়ত, রেলবাজারের মুদিখানা, সবজি ও ফলের দোকানে অভিযান পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা।

আরো পড়ুন :
ই-নথি কার্যক্রমে আবারো দেশ সেরা পাইকগাছা
পরিবেশ দুষণ করে চলছে অবৈধ বেকারী কারখানা
পাইকগাছার কপিলমুনি বাজারের ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

অভিযানে কেদারগঞ্জ নতুন বাজারে সবজিসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মুল্য যাচাই করা হয়। এসময় ব্যবসায়ীদের বাধ্যতামূলকভাবে প্রতিটি পণ্যের ক্রয় রশিদ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এবং মুল্যতালিকা যথাযথভাবে প্রদর্শন করতে বলা হয়। এসময় মেসার্স জাহিদ স্টোরে অতিরিক্ত লাভে চাউল বিক্রয়ের প্রমাণ পাওয়ায় এবং পন্যের মোড়কীকরণ বিধি বহির্ভূত পন্য বিক্রয় করার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী ৫,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়। পরবর্তীতে চাউলের কিছু ক্রয় রশিদ সংগ্রহ করে স্টেশনের পাশে গমপট্টিতে অবস্থিত চাউলের আড়তে মুল্য যাচাই করা হয়। এরপর অভিযান পরিচালিত হয় রেলবাজারের মুদিখানা, সবজি ও ফলের দোকানে।

এখানে প্রত্যেক দোকানী ও সবজি বিক্রেতাকে ন্যায্য মুল্যে পণ্য বিক্রয়ের পাশাপাশি পন্যের ক্রয় রশিদ ও মুল্যতালিকা যথাযথভাবে প্রদর্শন করতে বলা হয়। এসময় আর কে ফল ভান্ডারে পুর্বে মুল্যতালিকা প্রদর্শন করতে বলা হলেও তা না মানা, খালি ঠোংগার ওজন ৬৯ গ্রাম অর্থাৎ ওজনে কারচুপি করা ও পন্যের ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ না করার অপরাধে সতর্কীকরণ মাত্র ৩,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় সবাইকে সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষের কথা বিবেচনা করে সীমিত লাভে ও মানবিক হয়ে ব্যবসা করার জন্য অনুরোধ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জনাব সজল আহম্মেদ।
সহযোগিতায় ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইনের একটি টিম। জনস্বার্থে এ অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

এপ্রিল ২৯, ২০২০ at ১৯:১৭:৪২ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আক/টিআর/এএডি