পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে হত্যা

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। নিহত গৃহবধূর নাম শিরিনা বেগম (৩০)।

এ ঘটনায় স্বামী মামুন রশীদকে (৩২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শিরিনা বেগম রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার সাঁকোয়া গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে। মঙ্গলবার (৩মার্চ) পুলিশ নিহত গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় দুপুরে নিহতের ভাই হাসেন আলী বাদী হয়ে অভিযুক্ত স্বামী ও শ্বাশুড়িকে আসামি করে মোহনপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এর পরপরই স্বামী মামুন রশীদকে (৩২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকে শাশুড়ি মাজেদা বেওয়া (৫৫) পলাতক রয়েছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবদে স্বামী মামুন রশীদ পুলিশের কাছে এ হত্যাকাÐের কথা স্বীকার করেছে।
আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্কে রাজশাহীতে বেড়েছে মাস্কের ব্যবহার

মামুন রশীদ পেশায় ট্রাকচালক।মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ সাংবাদিকদের জানান, উপজেলার সাঁকোয়া গ্রামের মৃত ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে মামুন রশীদের সঙ্গে একই গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে শিরিনা বেগম (৩০) বিয়ে হয়। ওই গৃহবধূ দুই সন্তানের জননী ছিলেন। স্বামীর পরকীয়া প্রেম ও যৌতুকের দাবির কারণে তাদের সংসারে প্রায়ই অশান্তি হতো। পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় এ নিয়ে কখনও কখনও অমানুষিক নির্যাতন চালানো হতো ওই গৃহবধূর ওপর। সোমবার রাতে মামুন রশীদ তার আট বছরের মেয়েকে নানীর কাছে ও চার বছরের ছেলেকে মামা জাহাঙ্গীরের বাড়িতে রেখে যান। মধ্যরাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার পর শিরিনাকে মারধর ও পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মামুন রশীদ। লাশ উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামুন রশীদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

দেশদর্পণ/এমআরআর/এসজে