জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে খুশির বাঁচার আকুতি

মায়ের কোলে অবুঝ শিশু খুশি ফ্যাল ফ্যাল করে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। এই বয়সে অন্য শিশুরা কত প্রাণবন্ত আর চঞ্চলভাবে উঠানে খেলছে। অথচ খুশি আজ খেলতে পারে না। হার্টে ছিদ্র থাকায় জন্মের পর থেকেই সে অসুস্থ। খুশি জন্ম নেয়ার পর থেকেই দরিদ্র পিতা নিজের সর্বস্ব দিয়ে মেয়েকে সুস্থ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। হতদরিদ্র মা আশা বেগমের কোলই এখন শিশু খুশি আক্তারের একমাত্র ভরসা। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে খুশির চোখে-মুখে শুধুই বাঁচার আকুতি।

খুশির বাবা গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর বালায়াটা গ্রামের অসহায়, ভূমিহীন একজন দিন মজুর। দিন মজুরী দিয়ে কোন মতে সংসার চলে তাদের। মা আশা বেগম পরের বাড়িতে ঝিয়ের কাছ করেন।যার ফলে হতাশা যেন তাদেরকে চারদিক থেকে ঘিরে বসেছে।

ইতোমধ্যে খুশির মা-বাবা তাকে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় চলে যান। সেখানে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ সুভাষ চন্দ্র মন্ডলের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছে। গত প্রায় ৩ বছর ধরে প্রচণ্ড অভাব অনুটনের মধ্যেও চিকিৎসা করে যাচ্ছেন, এখন দ্রুত অপারেশন প্রয়োজন। কিন্তু টাকার অভাবে হার্টের অপারেশন করা সম্ভব হচ্ছে না। বাবা-খোরশেদ আলম জানান, ডাক্তার সাহেব বলেছেন আপাতত তিন লাখ টাকা অবশ্যই লাগবে। কিন্তু তার পিতার দাবি কোথায় পাবেন তারা এতো টাকা? কে দেবে তাদের এই টাকা?
আরও পড়ুন: প্রাণঘাতী করোনায় মৃতের সংখ্যা ৩০৫৩

এই ৩ লাখ টাকা জোগাড় হলেই হয়তো শিশু খুশি আক্তারের বিপন্ন জীবন রক্ষা করা সম্ভব হতো।

তাই সমাজের বিত্তবান ও দানশীল মানুষের কাছে খুশির অসহায় বাবা-মা তার এই অবুঝ সন্তানকে বাঁচানোর জন্য আর্থিক সহায়তা কামনা করেছেন।

যদি কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি আর্থিক সহায়তা পাঠাতে চান তাহলে নিচের নম্বরে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে, সঞ্চয়ী হিসাব নং- ৫১০৮৬০১৯১৩২২৪, সোনালী ব্যাংক লিমিটে, দারিয়াপুর শাখা, গাইবান্ধা সদর অথবা মামা বিকাশ ০১৮৭০৩৯৮৭৭৪।

দেশদর্পণ/এসকেবি/এসজে