মাদক মামলার পালাতক আসামীর আত্নহত্যা

চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার পুরাতন লক্ষীপুরে শনিবার রাতে আত্মীয় বাড়িতে পালিয়ে এসে মাদক মামলার আসামী খলিল (৪০) বসত ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

নিহত ব্যাক্তি ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর থানার সামান্তা চারাতলা পাড়ার মৃত আহম্মদের ছেলে খলিল (৪০)।

আত্মীয় জসিম জানায়, নিহত খলিল তার ধর্ম আত্মীয়। আত্মীয়তার সুত্রে মাদক মামলার আসামী খলিল পুলিশের ভয়ে প্রায় তার বাড়িতে এসে ১০-১৫দিন করে পালিয়ে থাকে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে আবার খলিল আমার বাড়িতে ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। আমি শনিবার সকালে খলিলের উঠতে দেড়ি হওয়াতে জানালা দিয়ে দেখি সে ঘরের ফ্যানের সাথে মাফলার দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পরে আমরা রুমের দড়জা খুলে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করি।
আরও পড়ুন: হরিণাকুণ্ডতে সাপের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু

নিহত খলিলের স্ত্রী পারভীনা জানায়, আমার স্বামী আদম ব্যবসা করতে গিয়ে অনেক টাকা ঋনগ্রস্থ হয়ে। মাদক ব্যবস্যার জড়িয়ে পড়ে। পরে মাদক মামলার আসামী ও পাওনাদারের ভয়ে প্রায় ৬মাস বাড়ি থেকে পালিয়ে বিভিন্ন যায়গায় রাত্রি যাপন করতে থাকে। গতকাল রাতে আমাকে মোবাইল করে আমার মেয়েদের কথা জিজ্ঞাসা করলো আর তার প্রচন্ড মাথা যন্ত্রনা করছে বললো। আত্মহত্যার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন পাওনাদারদের টাকা আর পুলিশের ভয়ে সে আত্মহত্যা করেছে।

এব্যাপারে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি বলেন, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার সংবাদ শুনে আমি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌছেছি। মৃতদেহের প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্টে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা বলেই। দেখা যাচ্ছে আমি মহেশপুর থানায় কথা বলে জানতে পেরেছি নিহত খলিল দুইটি মাদক মামলার আসামী। আমরা আত্মহত্যার কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত করেছি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে এবং সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে জানান।

দেশদর্পণ/টিআর/এসজে