বেলা বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে ভোটারের সংখ্যা

শীতের সকালের দিকে ভোটারের উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে ভোটারের সংখ্যা। ঢাকা উত্তর সিটির ৪৯ নং ওয়ার্ডের আটটি কেন্দ্রের বাইরে মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেলেও কেন্দ্রের ভেতরে ভোটারের উপস্থিতি একে বারেই কম লক্ষ্য করা গেছে। যদওি বেলা বাড়ছে ভোটারও বাড়ছে।

দেখা গেছে, কেন্দ্রের বাইরে লোক বেশি, ভেতরে ভোট কাস্টিং কম। আবার কোনো কোনো ভোটারের ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মেলায় ভোট গ্রহণে সময় নিচ্ছে বেশি। কোথাও ভিড়, কোনো বুথে একেবারেই ভোটার নেই, পাশের বুথেই ভোটারের দীর্ঘ সারি।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কাওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সিভিল এভিয়েশন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভেতরে মোট আটটি কেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্কুলের কয়েকটি কেন্দ্রে নারী ভোটারদের সেভাবে কোনো লাইন নেই। কয়েকজন করে ভোটার আসছেন, ভোট দিয়ে চলে যাচ্ছেন। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটাররা ভোট দিচ্ছেন এক থেকে দেড় মিনিটের মধ্যে।

এদিকে, কাওলা স্কুলে ভোটারের উপস্থিতি বেশি ছিল, ভোট গ্রহণে ছিল ধীর গতি। কোনো কোনো নারীর আঙুলের ছাপ মিলছে না। বেলা বাড়ার সাথে সাথে দীর্ঘ হচ্ছে ভোটারদের সারি। এই কেন্দ্রে ২ হাজার ৮৭২ ভোটের মধ্যে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে তিন শতাধিক।

কাওলা কেন্দ্রে সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী জাকিয়া সুলতানা পান্নার এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে কাউন্সিলর প্রার্থীর নিজে এজেন্টেকে আবার কেন্দ্রে ঢুকিয়ে দিয়ে যান।

এ বিষয়ে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ছফিউল্লাহ হাসেম বলেন, যাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট মিলছে না তাদের স্মার্টকার্ড ইভিএমে প্রবেশের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করছি। ঘরের কাজ করার কারণে অনেক সময় নারীদের আঙ্গুলের ছাপ কাউন্ট করা যায় না। তাই কার্ডের মাধ্যমে তাদের ভোট নিচ্ছি।
আরও পড়ুন: উহান থেকে দেশে ফিরছে ৩১৪ বাংলাদেশি

সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী জাকিয়া সুলতানা পান্নার এজেন্টকে বের করে দেওয়ার বিষয়ে বলেন, মহিলা ভোট কেন্দ্রে পুরুষ এজেন্ট ভুল করে বের করে দিয়েছিল। পরে তাকে আবার ভেতরে আনা হয়েছে।

সিভিল এভিয়েশন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভেতরে ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করার মতো। এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ২৮০০ এর ওপরে এখানে ভোট পড়েছে চার শতাধিক।

দেশদর্পণ/এসজে