চাকুসহ সাত যুবককে আটকের পর ছেড়ে দিল পুলিশ

রাজশাহী নগরীতে ধারালো চাকুসহ সাতজন যুবককে আটকের পর টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে রাজশাহী নগরীর অদূরে বায়া বাজার এলাকার বিশুর মোড় থেকে তাদের আটক করেন বায়া বাজার ফাঁড়ির এএসআই বারির নেতৃত্বে একদল পুলিশ। এসময় তাদের শরীর তল্লাশি চালিয়ে একজনের কাছ থেকে একটি ১০ ইি চাকু উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আটককৃতদের মধ্যে একজন হত্যা মামলার আসামি রয়েছেন। তবে এসময় তাদের কাছ থেকে অবৈধ আর কিছু পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ দাবি করলেও স্থানীয়রা বলছেন ভিন্ন কথা।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, আটককৃতদের মধ্যে রাতুলের কাছ থেকে ধারালো চাকুটি উদ্ধার করা হয়। আর সাজিবারের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ইয়াবা খাওয়ার সরঞ্জাম।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ৯টার দিকে বিশুর মোড়ে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা থামিয়ে সাতজনকে আটক করেন বায়া বাজার ফাঁড়ির এএসআই বারির নেতৃত্বে একদল পুলিশ। এসময় তাদের শরীরে তল্লাশি চালানো হয়। আটককৃতদের মধ্যে রাতুলের কাছ থেকে ধারালো চাকুটি উদ্ধার করা হয়। আর সাজিবারের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ইয়াবা খাওয়ার সরঞ্জাম। শান্ত নামে একজন হত্যা মামলার আসামিও রয়েছেন। পরে তাদের সবাইকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আটককৃতরা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
আরও পড়ুন: ফেন্সিডিল সেবনরত অবস্থায় মেডিকেল ছাত্র গ্রেফতার

আটককৃতরা হলো- ভুগরইল পশ্চিমপাড়া এলাকার তিলনের ছেলে রাতুল (২২), একই এলাকার সামুর ছেলে ও হত্যা মামলার আসামি শান্ত (২৩), কালুর ছেলে সাকিব (২৪), আমির আলীর ছেলে হৃদয় (২২), রাব্বি (২৩) ও কালুর মোড় এলাকার জাহাঙ্গীরের ছেলে ওবাইদুল (২৬)। অপর একজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, বুধবার দুপুরে ৫৭ হাজার ৮০০ টাকার বিনিময়ে আটককৃত সাতজনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম জানান, বিষয়টি ডিসি তারিকুল ইসলাম মনিটরিং করছেন।

তিনি স্বিকার করে বলেন, আটককৃতদের মধ্যে একজন হত্যা মামালার আসামি। তবে সে জামিনে আছে। আটক সাতজনের মধ্যে তিনজনকে মুচলেকা নিয়ে থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয় এবং অপর চারজনকে আরএমপি ধারায় আদালতে প্রেরণ করা হয়। তবে টাকার বিনিময়ে অভিযুক্তদের ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

দেশদর্পণ/এমআরআর/এসজে