জীবন ডট.কম

প্রত্যেক ব্যক্তিকে একটা নিদির্ষ্ট কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে এবং সেই কাজটি তার হৃদয়ে গ্রন্থিত আছে এবং প্রতিটি মানুষ ভেতর থেকে ঠিক সেই কাজটি করার জন্যই তাড়না অনুভব করে।”

“জীবনের সবচাইতে কাছের দিক হলো মরণ”এই মরণকে আমাদের সবসময় স্বরণ করে চলতে হবে প্রতিনিয়ত তবেই জীবনের সঠিক দিকনির্দেশনা খুঁজে পেতে সহজ হবে আমাদের সকলের।ভালোর বিপরীতে যেভাবে খারাপ দিক থাকে জড়িয়ে ঠিক একই ভাবে সুখের বিপরীতে থাকে দুঃখ জড়িয়ে।আমরা জীবন পরিচালনায় সবসময় দুটি দিকের মূল‍্যায়ন করবো তাহলে কখনও জীবনের মধ্যে এককভাবে সুখ কিংবা দুঃখ দেখা যাবেনা কেননা সকাল হলে একসময় রাত হবেই এর জন্য কোনো বিকল্প পথ থাকবে না।

কষ্ট হলো মানুষের জীবনের একটা বড় অংশ।কষ্ট ছাড়া কেউ কখনও বড় হতে পারে না। অন্ধকার আছে বলেই আলোর এত মূল্য।তাই কষ্ট নিয়ে কখনও বেশি মন খারাপ করতে নেই। মেঘ যেমন আকাশে চিরস্থায়ী হয় না ঠিক তেমনিভাবে কষ্টও সাড়া জীবন স্থায়ী থাকে না মানুষের জীবনে। রাত্রির পর দিন আসবেই, ঐ দূর আকাশে নতুন সূর্য উদয় হবেই। তাই কষ্টের সময় নিজেকে শক্ত রাখতে হবে আর কষ্ট দূর করতে কঠোর পরিশ্রম করে যেতে হবে।আমরা সকলেই দেখিয়ে দিতে পারি যে কিভাবে কষ্টকে জয় করা যায়।কষ্টের সময় ভেঙ্গে পড়তে নেই।

ভেঙ্গে পড়লে কষ্ট নিজেকে আরও ভালো করে গ্রাস করে ফেলে এবং কষ্টের জীবন আরও দীর্ঘায়ীত হয়। তবে জীবনে এক এক জনের কষ্ট এক এক রকম হয়ে থাকে। কারো ভালোবাসার কষ্ট,কারো টাকার কষ্ট,কারো পারিবারিক কষ্ট। কষ্টরা কখনও জীবন থেকে পালিয়ে যায় না এবং এই কষ্টের কোনো শেষ নেই।আর সব সময় জীবনের কষ্টের কথা কাউকে বলাও যায় না,কেউ কষ্টের কথা শুনতেও চায় না।এছাড়াও আপনার কষ্টের কথা অন্য মানুষের কাছে যত বলবেন তাঁরা আপনাকে আস্তে আস্তে এড়িয়ে চলতে থাকবে।তাই কষ্টকে বা কষ্টের জীবন কে আমাদের প্রত‍্যকে কে মেনে নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে,ভেঙ্গে দিতে হবে জীবন থেকে কষ্টের দেয়ালকে।

বিখ্যাত চীনা দার্শনিক লাও ঝু এর একটি উক্তি সব সময়ে আমাদের মনে রাখতে হবে।

“যদি তুমি পূর্ণতার জন্য অন্যের দিকে তাকাও,তবে তুমি কখনও পূর্ণ হবে না। যদি তোমার সুখ সম্পদের ওপর নির্ভর করে তবে তুমি কখনও সুখী হবে না। তোমার যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকো। যখন তুমি নিজের মনে সুখী হতে পারবে তখন পুরো পৃথিবীটাই যেনো তোমার হবে”।

নবীন লেখক ও সাংবাদিক
মোঃ ফিরোজ খান