যবিপ্রবিতে ইংরেজি বিভাগের মনোমুগ্ধকর আলপনা

আলপনা মানেই রং, মন ছুঁয়ে যাওয়া কারুকার্য। আর বাঙালির উৎসবে আলপনা এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে দিনে দিনে এই শিল্পটি হারানোর তালিকায় চলে যাচ্ছে। বাহারি এ লোকশিল্পকে আবারও সবার মাঝে তুলে ধরতে যবিপ্রবি বিগত বছরগুলোতে আয়োজন করে আসছে আলপনা প্রতিযোগিতা। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। ১৩ তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আলপনায় আলপনায় রঙিন হলো যবিপ্রবির রাজপথ।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আর অন্য বিভাগের মতো ইংরেজি বিভাগ তাদের সৃজনশীলতা ফুটিয়ে তোলে আলপনার মাধ্যমে।ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের কল্পনাকে রাজপথ রাঙিয়ে বাস্তবে রুপ দেয়।

যেখানে তাদের প্রধান বিষয় ছিল ফিনিক্স পাখি।

পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে পবিত্র অনল প্রভা থেকে ফিনিক্স পাখির সৃষ্টি। ফিনিসীয় পুরাণ, চাইনিজ পুরাণ, গ্রিক পুরাণ এবং প্রাচীন মিসরীয়দের বর্ণনায়ও ফিনিক্স পাখির উল্লেখ পাওয়া গেছে। প্রাচীন গ্রিক পুরাণ অনুসারে ফিনিক্স হল এক পবিত্র ‘অগ্নিপাখি’। আর এটি এমনই একটি পবিত্র আগুনের পাখি, যার জীবনচক্র আবর্তিত হয় হাজার বছর ধরে। যমদূত আসার ঠিক আগেই ফিনিক্স পাখি নিজের বাসা নিজেই আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। আর নির্মমভাবে দগ্ধীভূত এই পাখি এবং তার বাসার ভস্ম থেকেই জন্ম নেয় নতুন জীবন।প্রাণ পায় নতুন জীবনের, শুরু হয় আবারও জাতিস্মর ফিনিক্সের অবিনাশী যাত্রা।
আরও পড়ুন: ফাইভ-জির সম্পর্কে যেসব তথ্য জানা জরুরি

ইংরেজি বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা আলপনার কাজে অংশ নেয়।তারা সারা রাত জেগে এই আলপনার কাজ করে।ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আফসানা বলেন সবার সহযোগিতায় আমরা এই আলপনার কাজ করেছি।কেউ ঝাড়ু দিয়ে জায়গা পরিষ্কার করেছে আবার কেউ নিজ হাতে মোবাইলের আলো ধরে সহায়তা করেছে। এই কাজের কৃতিত্ব ইংরেজি বিভাগের সকলের।

উল্লেখ্য ২০০৭ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করে।এটি খুলনা বিভাগের চতুর্থ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ অবধি সুনামের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলে আসছে।

দেশদর্পণ/এফএফ/এসজে