মজনুর ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল ধর্ষণের সম্পৃক্ততার প্রমাণ

রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী ধর্ষণে গ্রেফতার মজনুর ডিএনএ পরীক্ষায়ও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। শিগগিরই তদন্ত সংস্থা ডিবি এই আলামত আদালতে জমা দেবে। তারা বলছেন, বিচারকার্যের গুরুত্বপূর্ণ দালিলিক প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে ডিএনএর এই নমুনা।

সিআইডির ফরেনসিক বিভাগের উপ-মহাপরিদর্শক শেখ নাজমুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ধর্ষণের ঘটনাস্থল ও বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীর ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেগুলোর সঙ্গে মজনুর ডিএনএ নমুনা মেলানোর পরীক্ষা করা হয় ল্যাবে। নমুনা মিলে গেছে অর্থাৎ ধর্ষণের সঙ্গে মজনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন: নিখোঁজের ৩ দিন পর ইজিবাইক চালকের লাশ উদ্ধার

এর আগে ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নেমে যাওয়ার পর ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে ঢাবির নিজস্ব বাসে রওনা দেন তিনি। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে বাস থেকে নামেন। এরপর একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তার মুখ চেপে ধরে সড়কের পেছনে নির্জন স্থানে নিয়ে যান। ধর্ষণের পাশাপাশি তাকে নির্যাতনও করা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের ক্ষতচিহ্ন পাওয়া যায়।

ধর্ষণের এক পর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। রাত ১০টার দিকে নিজেকে একটি নির্জন জায়গায় আবিষ্কার করেন ওই ছাত্রী। পরে সিএনজি নিয়ে ঢামেকে আসেন। রাত ১২টার দিকে ওই ছাত্রীকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করান তার সহপাঠীরা।

এ ঘটনার দুইদিন পর ধর্ষক মজনুকে বনানী থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। ৭ দিনের রিমান্ড শেষে মজনু বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

দেশদর্পণ/এসজে