সড়কের দু’পাশে গাছের স্তুপ, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

পটুয়াখালীর দুমকিতে যানবাহন ও জনচলাচলের ব্যস্ত সড়কের দু-পাশ দখল করে বে-আইনী ভাবে গাছের গুড়ি ফেলে রাখায় যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালী ‘স্ব’মিলের মালিক ও কাঠ ব্যবসায়ীরা রাস্তার ওপর গাছের স্তুপ ফেলে রাখায় প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। ইজিবাইক, রিক্সা,মটরসাইকেল চলাচলেও বিঘেœর সৃষ্টি হচ্ছে। যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনারও আশঙ্কা রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার মুরাদিয়া বোর্ড অফিস ব্রিজ থেকে দক্ষিণে আমির হোসেনের রাস্তার মাথা ল ঘাট হয়ে দক্ষিণ মুরাদিয়া ভক্তবাড়ী পর্যন্ত অত্যন্ত ব্যস্ততম সড়ক এটি। এ সড়ক দিয়ে স্কুল কলেজগামী শত শত শিক্ষার্থী ও মুরাদিয়া ইউনিয়নসহ পার্শ্ববতি এলাকার হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন উপজেলা শহরে নিত্য যাতায়ত করছে। এছাড়া নিয়মিত চলাচলকারী ল যাত্রীদের যাতায়তের পথ এ সড়কটি। সড়কের গোড়ার দিকে পাশাপাশি দু’টি ‘স্ব’ মিলের অবস্থান। আর এ স্ব-মিল মালিকদ্বয় ও এদের ঘিড়ে পাইকার কাঠ ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন এলাকা থেকে বিশাল বিশাল গাছ কেটে এনে রাস্তাটির দু’পাশ অবৈধভাবে দখল করে সারিবদ্ধভাবে ফেলে রেখে জনচলাচলের বিঘœ সৃষ্টি করছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ‘স্ব’ মিল চালানোর বিধি থাকলেও তার তোয়াক্কা ছাড়াই খেয়াল খুশিতে চালাচ্ছেন তাদের অবৈধ বাণিজ্য।
আরও পড়ুন: ধানী জমিতে পুকুর কাটা বন্ধে ভ্রাম্যমান আদালত

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একদিকে মুরাদিয়া বোর্ড অফিস ব্রিজ স্ট্যান্ড রিক্সা, ইজিবাইক, ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলের দখলে। অপর দিকে স্ব-মিল মালিক কবির শরীফ ও ফারুক খন্দকারসহ কাঠ ব্যবসায়ীরা সড়কের দু’ পার্শ্বে স্থানে স্থানে গাছের খন্ড ফেলে রাখায় প্রতিনিয়ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। পথচারীসহ শিক্ষার্থীদের চলাচলে নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

মুরাদিয়া ইউনিয়নের চেযাম্যান জাফর উল্লাহ বলেন, রাস্তার উপর গাছের অংশ ফেলে রাখা অন্যায়। মানুষের চলাচলে ভোগান্তি হবে এমন কোনো কাজ কারো করা উচিত নয়। আমি বিষয়টি দেখছি।

এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শঙ্কর কুমার বিশ্বাস বলেন, সড়কের দু-পাশে গাছ রাখা সম্পূর্ণ বে-আইনী যদি কেউ এভাবে গাছ রেখে থাকে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দেশদর্পণ/জেইউ/এসজে