আবারও বেড়েছে শীতের তীব্রতা

শীত মৌসুমের মাঝামাঝিতে আবারও বেড়েছে শীতের তীব্রতা। যদিও মৌসুমের শুরুতে দেশের ওপর দিয়ে কয়েক দফায় থেমে থেমে বয়ে গেছে মৃদু ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। এখন আবার শুরু হয়েছে শীতের প্রকোপ।

প্রচণ্ড শীতের কবলে পড়েছে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা ও হিমালয় কন্যা পঞ্চগড়। লাগামহীনভাবে বেড়েছে শীতের দাপট। এতে করে নাকাল হয়ে পড়েছে জেলার জনজীবন।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, শীতের অনুভূতি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বেশি ভূমিকা রাখছে শীতল বায়ুর প্রবাহ। ইতিমধ্যে আবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইতে শুরু করেছে, যা মাঘের শুরুতে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহে পরিণত হতে পারে।

ঘনকুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে গোটা পঞ্চগড়, সেই সঙ্গে বয়ে আসছে উত্তরের হিমেল বাতাস। রাতভর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। টানা এক মাসের অব্যাহত শীতের দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এ জেলার মানুষ। তাপমাত্রা ওঠা-নামার খেলায় এই শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে হিমালয় কন্যা পঞ্চগড় জেলার খেটে খাওয়া মানুষেরা।
আরও পড়ুন: মেঘনায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষে নিহত ২

অপরদিকে উচ্চবলয় পশ্চিমবঙ্গসহ বাংলাদেশের তৎসংলগ্ন পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এসব কারণে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা হ্রাস পেয়েছে। এটা আরও অব্যাহত থাকতে পারে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, সোমবার সকাল ৯টায় দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বিএমডির আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, বৃহস্পতিবার ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি স্থানে বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া উচ্চচাপ বলয়ের বিস্তার বাংলাদেশেও বিস্তার লাভ করেছে। শীতল বাতাসের প্রবাহ অব্যাহত আছে। ঘন কুয়াশার কারণে সূর্যের মুখ দেখা যায়নি।

এসব কারণে ধরণী কিছুটা শীতল আছে। আগামী ৩-৪ দিন এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। এতে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে।

এদিকে, শীতের কবলে পড়ে দিন দিন অসুস্থ হচ্ছে শিশুসহ বয়স্করা। শৈত্যপ্রবাহ ও লাগামহীন শীতে নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন আবাদী ফসল বলে জানিয়েছে কৃষকরা।

দেশদর্পণ/এসজে