জেলা প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

চুয়াডাঙ্গার তিতুদহ ইউনিয়নের তিতুদহ গোলাপনগর পাড়ায় নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে এলাকার আলোচিত ব্যাক্তি শুকুর আলী। জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিয়ে ইজারার মাধ্যমে বালু উত্তোলন করছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শরোজগঞ্জ ও বেগমপুর হয়ে জীবননগরের উথলী পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ কাজের জন্য সরকারি ভাবে ইজারা নিয়ে বালু উত্তোলন করছে বলে তিনি জানালেও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে আসল ঘটনা।

জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের আলোচিত ব্যাক্তি শুকুর আলী। তিনি তার এলাকায় তিতুদহ গোলাপনগর পাড়ায় চিত্রা নদীর তিন স্থান থেকে বালু উত্তোলন করছে। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শরোজগঞ্জ-বেগমপুর হয়ে জীবননগরের উথলী মোড় পর্যন্ত রাস্তা পাকাকরন কাজ চলছে।

জেলা প্রশাসক কর্তৃক ইজারার মাধ্যমে শুকুর আলী গোলাপনগর পাড়ার ওই স্থান থেকে বালু উত্তোলন করে রাস্তার কাজে দিচ্ছেন বলে তিনি বলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওইস্থান থেকে বালু উত্তোলন করছে বলে এলাকার অনেকেই অভিযোগ করে বলেন।
আরও পড়ুন: পিলখানা ট্র্যাজেডি: পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

বালু উত্তোলনের ব্যপারে শুকুর আলীর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে আনুমনি নিয়ে বালু তুলছি। তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসক কর্তৃক ১৬ কোটি ৮২ লাখ টাকায় ইজারার মাধ্যমে তিনি ওইস্থান থেকে বালু উত্তোলনের কাজ শুরু করেন। এ ব্যপারে শুকুর আলীর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিককে তার সাথে দেখা করার জন্য বলেন। তিনি বলেন, আগামীকাল দেখা করেন।

এ ব্যপারে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিকুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি খোঁজ খবর নিয়ে দেখি। যদি এ ধরনের কোন অনিয়ম পাওয়া যায় তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বালু উত্তোলনের ব্যপারে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকারের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, বালু উত্তোলনের জন্য আমার কাছ থেকে কেউ কোন অনুমতি নেইনি। আর ইজারা নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের কাজের জন্য কোন উজারা দেয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, যদি এ ধরনের কোন কিছু ঘটে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দেশদর্পণ/টিআর/এসজে