মাটিরাঙ্গার উপজেলার উত্তরের অসুস্থ মানুষদের কান্না দেখার যেনো কেউ নাই

খাগড়াছড়ি জেলার সবচেয়ে জনবহুল এলাকা তাইন্দং,তবলছড়ি,বর্ণাল,আমতলী সহ এই রোডের ৭০হাজার মানুষের বসবাস থাকলেও হাতেগুনা কয়েকটি ক্লিনিক ছাড়া নেই কোনো আধুনিক হাসপাতাল। আর ক্লিনিকগুলোতেও প্যারাসিটামল,নাপা আর কয়েকটা পরিচিত ঔষধ মেলে। নেই কোনো ভালো ডাক্তার।
প্রতি ইউনিয়নের বাজারে ডাক্তার ও ফার্মেসী দোকানগুলো শুধু মাত্র প্রাথমিক চিকিৎসাই দিতে পারে। আর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই তেমন আধুনিক চিকিৎসা, নেই আধুনিক যন্ত্রপাতি। তাই এই তাইন্দং রোডের রোগীদের গুরুতর কিছু হলেই চলে যেতে হয় খাগড়াছড়ি সদর,চট্রগ্রাম অথবা কুমিল্লা। আর এতে সাধারণ রুগিও গুরুতর হয়ে যায় লম্বা যাতায়াতের কারনে, গাড়ির ঝাকুনি আর রোডঘাটের করুন অবস্থাতে।
তাইন্দং সহ আশেপাশের এলাকার প্রায় শ’খানেক অসুস্থ মানুষ যে কোনো রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন যেতে হয় কয়েকশ কিলোমিটার দূর। আর চিকিৎসা করতে গিয়ে যাতায়াত,খাওয়া আর রুম ভাড়া দিয়েই অনেকাংশেই নিঃস্ব হয়ে যান নিম্নবিক্ত রোগীগন৷ চিকিৎসা বাবদ যা খরচ হয় তার ৩গুন টাকা হাসপাতালে যাতায়াতেই গুনতে হয় রুগীদের।
আরো পড়ুন:
এই পর্যন্ত তাইন্দং থেকে মাটিরাঙ্গা অথবা পানছড়ি হয়ে শুধুমাত্র হাসপাতালে যাতায়াতের মাঝেই মারা যাওয়া রোগীর সংখ্যা অসংখ্য। বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত রোগী , প্রসূতি মায়েদের ইমারজেন্সি হাসপাতালে ডাক্তারের কাছে নিতে অনেকাংশেই রুগী নিস্তেজ হয়ে মারা যায়।
তাই তানাক্কাপাড়া টু মাটিরাঙ্গা ৪৬-কিলোমিটার রোডের মানুষদের দাবী অতি শিগ্রই যেনো তাইন্দং অথবা তবলছড়িতে একটি আধুনিক হাসপাতাল স্থাপন করা হয়। এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত যন্ত্রপাতি সম্মলিত একটি হাসপাতাল।
তাইন্দং রোডের অসহায় মানুষদের দাবী। এ নিয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, এসব এলাকার সচেতন মহল।

অক্টোবর ২১, ২০১৯ at ১৯:২৫:৩০ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আহা/আক/নুমো/তআ