এনআইডি‘র ছবি তুলতে এসে আটক রোহিঙ্গা যুবক ও পালক পিতার কারাদন্ড

নাইক্ষ্যংছড়ির পার্শ্ববর্তী রামুর কচ্ছপিয়াতে হালনাগাদ জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি তুলতে এসে এক রোহিঙ্গাসহ দুই জনকে আটক করা হয়েছে। আটক দুই জনকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন, রামু উপজেলা’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ইউএনও প্রণয় চাকমা।

দন্ডাদেশ প্রাপ্ত মনজুর আলম (২৩) রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বড় জাংছড়ি মুড়ার কাচা এলাকার হাফেজ আহমদের ছেলের পরিচয়ে ছবি তোলতে আসেন। এসময় তার পালক পিতা মৃত ঠান্ডা মিয়ার ছেলে হাফেজ আহমদ মেস্তরী (৫৭) কে তথ্য গোপন করার অভিযোগে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন তাদের ধরে উপজেলা নির্বাচন অফিসার মাহফুজুর রহমান কাছে দেন।

সাথে সাথে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সোপর্দ করেন।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা জানান, কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদে চলমান হালনাগাদ ভোটার তালিকার জন্য ছবি তোলতে আসলে, মনজুর আলম রোহিঙ্গা নাগরিক বলে সনাক্ত হয় এবং তার সাথে তথ্য গোপন করে বাবা পরিচয়দানকারী হাফেজ আহমদসহ দু’জনকে দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারায় ২০ দিনের বিনাশ্রমে কারাদন্ড দেন। সাথে সাথে দণ্ডাদেশ প্রাপ্তদের রামু থানা পুলিশের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

আরও পড়ুন :
হরিনাকুণ্ডুতে ইঁদুর নিধন অভিযান ২০১৯ উদ্বোধন
হুন্ডি কাজলের জমি বিক্রি তদন্তে নেমেছে নিবন্ধন অধিদপ্তর

গত কাল মঙ্গলবার চলিত কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের হালনাগদ ভোটার তালিকার চুড়ান্ত কার্যক্রমের ছবি তোলার দিন। এদিন জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিভিন্ন কৌশলে মোটা অংকের টাকায় ভোটার ফরম পূরণ করেন এবং ঐ ফরম উপজেলায় যাচাই-বাচাইতেও টিকে যায়। কিন্তু ছবি তোলার সময় স্থানীয় সাংবাদীকদের সহযোগিতায় গোয়ান্দ সংস্থার লোকজন অনেক রোহিঙ্গাদের পূরণ কারা ফরম সানক্ত করতে সক্ষম হয়। তাদের ভোটার ফরম জব্দ করে তাদে ভোটার হতে দেননি।

কচ্ছপিয়ার বিশিষ্ট সমাজ সেবক আলহাজ্ব ইদ্রিস সিকদার এ প্রতিবেদককে বলেন,আমার ছেলের ভোটার ফরম আসেনি, একজন স্থানীয় প্রবিণ সাংবাদীকেরর মেয়ে রোম্পা হাবিবা শোভাসহ অনেকের ছবি আসেনি কিন্তু রোহিঙ্গাদের ফরম কি ভাবে যাচাই-বাচাই হইয়ে আসে?। এলাকার সচেতন মহলে দাবী মঙ্গলবার ছবি তোলতে এসে যেসব রোহিঙ্গাদের ফরম জব্দ হয়েছে তাদের ফরম পূরণে যারা জড়িত তাদের বিরোদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবী জানান।

অক্টোবর ১৬, ২০১৯ at ১৭:১১:৩০ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আহা/আক/এমএকা/আজা