দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত-২০

কুৃষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় একটি সালিশ বৈঠক চলাকালে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দৌলতপুর, ভেড়ামারা ও কুষ্টিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের কান্দিরপাড়া এলাকায় মুন্সি গ্রুপ ও প্রামাণিক গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকার রশিদ মুন্সির লোকজন পূর্ব বিরোধের জেরে আগেরদিন (শুক্রবার) প্রতিপক্ষ মিরাজ প্রামাণিকের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় শনিবার রাত ৮টায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাহআলম উভয়পক্ষকে নিয়ে সালিশ বৈঠকে বসেন। সালিশে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মিরাজ প্রামাণিকের লোকজন প্রতিপক্ষ রশিদ মুন্সির লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।

এতে রশিদ মুন্সি (৪৫), পচাই মুন্সি (৪০), মিরাজ প্রামাণিক (৪৮), লেবু প্রামাণিক (৩২), ভেগু মল (৩৭), রফিক (২৭), লালচাঁদ (১৮), লালান মল (২৭), কাউসার অঅলী (২৬), সান্টু বিশ্বাস (৩০), কটা মুন্সি (৪৫), হাফিজুল ইসলাম (৪৬) ও নাদের আলীসহ (৩৭) দুই পক্ষের অন্তত ২০ জন কমবেশি আহত হন।

আরও পড়ুন :
চৌগাছায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমণ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
রাবিতে ভিসি প্রোভিসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন

সংঘর্ষের খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে লাঠিচার্জ করায় দুই পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থল থেকে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। তাদের মধ্যে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একইপক্ষের পচাই মুন্সি, কটা মুন্সি ও রশিদ মুন্সির অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর পাওয়া গেছে।

মরিচা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহআলম জানান, একটি বিয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধের জের ধরে দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। শনিবার রাতে এ নিয়ে সালিশ আহ্বান করা হলে ওই সালিশে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দৌলতপুর থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে কাউকে আটক করা যায়নি।

অক্টোবর ১৩, ২০১৯ at ১৬:১৫:৩০ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আহা/আক/এসআরএস/আজা