নদী থেকে বালু উত্তোলনের যন্ত্রপাতি জব্দ

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার মধুমতি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার ফুট জমাকৃত বালু, বালু উত্তোলনের স্যালো ইঞ্জিন ও পাইপ উদ্ধার করে জব্দ করেছে।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রভাবশালী মহল মধুমতি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বাগাট ইউনিয়নের মিটাইন গ্রামের নদী সংলগ্ন মিটাইন মাদ্রাসা মাঠ, মসজিদ ও নদীর পার্শ্বে সিরাজ মল্লিকের বাড়ীর পিছনে বালু জমা করে রেখেছেন। সেখান থেকে রাতের অন্ধকারে ট্র্যাকে করে বালু বিক্রি করে আসছেন।

এলাকাবাসী জানান মাদ্রাসা মাঠে বালু উত্তোলন করে যেমন মাদ্রাসের মধ্যে বালুর পানি ঢুকে যাচ্ছে তেমনি মাদ্রাসা সংলগ্ন কবরস্থানেও বালু ঢুকে পড়েছে। তারা বলেন, মানুষ মারা গেলে আমরা মাদ্রাসা মাঠে জানাজা করতে পারছি না।

আরও পড়ুন:
শতাধিক বোতল ফেনসিডিলসহ আটক-১
২০ হাতবোমা ও ২৫ রাউন্ড গুলিসহ আটক-১

এ দিকে রাস্তা দিয়ে অবাধে বালুর ট্র্যাক চলাচল করায় রাস্তা ভেঙ্গে দেবে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়ছে। বিভিন্ন বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত থাকছেন ঝুঁকিতে। এলকাবাসী প্রশাসনের কাছে এর কঠোর ব্যবস্থা দাবী করেন।

অভিযান পরিচালনাকারী মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী মাজিস্ট্রেট মো. মোস্তফা মনোয়ার বলেন, বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে সরেজমিনে অভিযান পরিচালনা করে কাউকে পাইনি তবে উত্তোলনকৃত বালু, উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়েছে।

বাগাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মতিয়ার রহমান খান বলেন, উত্তোলন কৃত বালু ও ৫০পিস পাইপ আমার হেপাজতে রাখা হয়েছে। দুটি স্যালো ইঞ্জিন উপজেলায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।