ছাত্রী ইভটিজিংয়ে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ ঘটনায় পাল্টা মামলা

ছাত্রীকে ইভটিজিং ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কমেন্টকে কেন্দ্র করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ একপক্ষের মামলার পর ছাত্রলীগের অন্য পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ১০ জন শিক্ষার্থীর নামে মামলা করে।

শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকের আশিকুর রহমান বাদি হয়ে এ  মামলা করেন। এ ছাড়া যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এনে একজন ছাত্রীও ৩ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন-শহীদ মসিয়ূর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি বিপ্লব কুমার  শান্ত, পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিক খন্দকার, গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী জুয়েল রানা, ইংরেজি বিভাগ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রহুল কুদ্দুস রোহিত, একই বিভাগের স্নাতকোত্তোরের শিক্ষার্থী নূর মোহাম্মাদ, শিক্ষার্থী আসলাম উদ্দিন রবিন, সাজেদুল কবির রাজু, আসিফ আহমেদ রাহিক, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী কামরুল হাসান শিহাব, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তোর শিক্ষার্থী মুরাদ হোসেন।

আরও পড়ুন :
সনাক টিআইবি’র উদ্যোগে মানববন্ধন
খেলাঘরে জাতীয় শিশু চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত 

ইভটিইজিংয়ের শিকার ওই ছাত্রী থানায় দেওয়া অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন যে, মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগকর্মী রুহুল কুদ্দুস রহিত, জুয়েল রানা ও কামরুল হাসান শিহাব দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে সরাসরি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করে আসছিলেন এবং রাস্তাঘাটে দেখা হলেই তাকে নানা রকম আজেবাজে, কুরুচিপূর্ন কথাবার্তা ও কু প্রস্তাব দেন।

তাতে ওই ছাত্রী রাজি না হলে তাকে অপহরন করারও হুমকি দেওয়া হয় যার ফলশ্রুতিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছর পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারেননি এবং অভিযোগপত্রে তিনি তার জীবনের নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টিও উল্লেখ করেন।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন ভক্ত বলেন, ২৫ সেপ্টেম্বর ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনায় অপর পক্ষ এবং একজন ছাত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা  নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৯ at ১৭:৫৮:২৯ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আহা/আক/আরএ/আজা