মাইন বিষ্ফোরনে রোহিঙ্গার মৃত্যু

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ৩৮-৩৯ নম্বর পিলার এলাকায় ২০দিনের ব্যবধানে আরো এক রোহিঙ্গা ব্যক্তি মাইন বিষ্ফোরনে মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু থোয়াইঙ্গাঝিরি এলাকা থেকে বিজিবির সহায়তায় আব্দুল মজিদ নামে ওই রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ব্যক্তি উখিয়া কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্প ডি-১ এ অবস্থানরত আবদুল মালেকের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম বাইশফাড়ি সীমান্তের জিরো পয়েন্টের প্রায় একশত গজ অভ্যান্তরে সকাল ৯টার দিকে বিকট একটি শব্দ শুনতে পায় বিজিবি। বিজিবির টহলদল দুপুরে নো ম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে। পরে দুপুর ২টার দিকে পুলিশের সহায়তায় লাশটি উদ্ধার করে ঘুমধুম পুলিশ ফাড়িতে আনা হয়। বিকালে লাশের ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
বাঘারপাড়ায় ১০টাকা দরের ১৫০ বস্তা চাল উদ্ধার

লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘুমধুম পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ ইন্সপেক্টর ইমন চৌধুরী বলেন, বিজিবির মাধ্যমে খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজারে পাঠানো হয়েছে। দুপুরে ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে ঘুমধুম পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এদিকে ঘুমধুম বিজিবি নিয়ন্ত্রিত কক্সবাজার ৩৪বিজিবির অধিনায়ক আলী হায়দার আজাদ মাইন বিষ্ফোরনে রোহিঙ্গার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলের ওই প্রান্তে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীর সাথে তাৎক্ষনিক যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু নো ম্যান্স ল্যান্ডে মাইন বিষ্ফোরনের বিষয়টি তারা অস্বীকার করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯ at ১৯:০৯:৩০ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আহা/আক/একে/কেএ