নবগঠিত ছাত্রলীগের কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিদ্রোহী গ্রুপের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টায় ছাত্রলীগের দলীয় ট্রেন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে এসে আবার সেখানেই শেষ হয়।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের বিদ্রোহী গ্রুপের নেতা শিশির ইসলাম বাবু, তৌকির মাহফুজ মাসুদ, মিজানুর রহমান লালন, ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত, জুবায়ের আল মাহমুদসহ কয়েক শতাধিক ছাত্রলীগ নেতাকর্মী।

এসময় তারা ‘হৈ হৈ রৈ রৈ রাকিব পলাশ গেলি কই? জামাত শিবিরের আস্তানা জালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও’ স্লোগান দিতে থাকে। পরে বিদ্রোহী গ্রুপের নেতা কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সাথে বর্তমান ছাত্রলীগের কমিটির বিরুদ্ধে দুর্নীতি অভিযোগ এনে তাদের বিচারসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ সেলিম তোহা, সহকারী প্রক্টর ড. আনিছুর রহমান।

এ সময় বক্তারা বলেন, রাকিবের সাথে পলাশ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কারণ তারা এক ডালে দুই ফুল, এক গাছের দুই ফুল একজন বিষ খেলে আরেকজন কখনো মধু খেতে পারে না। রাকিব ৪০ লাখ টাকা দিয়ে কমিটি এনেছে বলে অডিও ফাঁস হয়েছে, এছাড়া তার বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ আছে। এখনও পর্যন্ত কেন ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে না এ বিষয়ে প্রশ্ন রাখেন তারা।

আরও পড়ুন:
ইএসডিওর যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত
১২ বছরের শিশু ধর্ষনের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতির বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতির বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শুধুমাত্র জিরো টলারেন্স নীতি আছে, কিন্তু এর বাস্তবায়ন নাই। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে আগামী সপ্তাহ বা তার আগে কঠোর আন্দোলন ও অনশনে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান বলেন, “মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর ইতিমধ্যে এ বিষয়টিকে আমলে নিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছেন। জরুরি প্রয়োজনে তিনি ঢাকা গেছেন এবং আজকের মধ্যেই ফিরে আসবেন। তারপর আমরা এ বিষয়ে কি করা যায় এবং তিনি এ ব্যাপারে কনসার্ন আছেন। কোনো ধরণের দুর্নীতি তিনি কোনো ভাবেই সহ্য করবেন না। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন।

সেপ্টেম্বর  ১৭, ২০১৯ at ২০:০৫:৩০ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আহা/আক/টিএইচ/কেএ