অতিরিক্ত অ্যান্টাসিড খাবেন না

বাঙালি মাত্রেই অ্যাসিডিটি৷ আর অ্যাসিডিটি মানেই বাঙালি৷ আবহমানের এক সম্পর্ক এই দুইয়ের মধ্যে৷ আর অম্বল হলেই মুঠোমুঠো অ্যান্টাসিড খেতেও বাঙালির জুড়ি মেলা ভার৷ অনেকে তো পকেটে জেলুসিল নিয়েই তেলেভাজা খেয়ে চলেন এন্তার৷ কিন্তু ভেবে দেখেছেন কি, কথায় কথায় অ্যান্টাসিড খাওয়ার বিপদ কোথায়৷

আরও পড়ুন :
আধুনিক নারীর থাকা চাই যে ৯টি গুণ
মোশাররফ করিমের সঙ্গে সরাসরি আড্ডা দেয়া যাবে

আসলে, অম্বল হতে পারে নানা কারণে৷ আর, ঘনঘন অম্বল শরীরের পক্ষে ভাল নয় আদৌ৷ অ্যান্টাসিড খেয়ে আপনি হয়তো সেই মুহূর্তের মতো অম্বলের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন, কিন্তু আপনার দীর্ঘমেয়াদী কোনও সমস্যা রয়েছে কিনা, তা ধরা যাচ্ছে না৷ ধরা যাক দীর্ঘদিনের অম্বল থেকে আপনার পাকস্থলীতে ইরোসন দেখা দিল, তখন কী করবেন৷ অথবা, গলস্টোনের সমস্যা থেকে আপনার অম্বল হয়ে চলেছে ক্রমাগত৷ সেক্ষেত্রে অ্যান্টাসিড খেতেই পারেন রিলিফ পাওয়ার জন্য, কিন্তু তাতে করে যদি ভাবেন সমস্যার সমাধান হয়ে গেল, তাহলে কিন্তু বিপদ৷

ঘনঘন অম্বল হলে তাই ডাক্তার দেখিয়ে নেওয়াই ভাল৷ প্রয়োজনে এন্ডোস্কপি বা কোলনস্কপিও করাতে পারেন ডাক্তার৷ তবে, সেইসঙ্গে খাওয়ার ওপর কিছুটা হলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা দরকার৷ সকালে খালিপেটে অনেকে প্রাজলজাতীয় ওষুধ খান দীর্ঘদিন ধরে৷ এটাও ঠিক নয়৷ মাঝেমধ্যে একটু ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নিন৷ হতে পারে, হয়তো এখন আপনার ওই ওষুধের দরকার নেই৷ তাই, মাঝেমধ্যে অম্বল হলে ঠিক আছে৷ কিন্তু প্রায়শই আপনার অম্বল হচ্ছে আর আপনি মুঠোমুঠো অ্যান্টাসিড খেয়ে তার মোকাবিলা করছেন, এটা কিন্তু ঠিক নয়৷ হতে পারে, আপনার হয়তো স্ট্রেস থেকে অম্বল হচ্ছে৷ ঘুম ঠিকমতো হচ্ছে না৷ সেক্ষেত্রে ডাক্তার আপনাকে স্ট্রেস কমানোর হালকা ডোজের ওষুধ দেবেন৷ ঘুমও ঠিকমতো হবে৷ আর, অম্বলের ওষুধ ছাড়াই অম্বল কমবে৷

তাই, ডাক্তার না দেখিয়ে মুঠোমুঠো অ্যান্টাসিড খাবেন না৷

সেপ্টেম্বর১৪, ২০১৯ at ০৮:০৩:১৬(GMT+06)
দেশদর্পণ
/আহা/ আক/ জুবা/ইআ