ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে হচ্ছে দ্বিতলা ভবন, আশঙ্কায় শিক্ষার্থীরা

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে একতলা বিশিষ্ট একটি ঝুঁকিপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবার হচ্ছে দ্বিতলা। এজন্য ভবন ধ্বংসের আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ। তবে ভবনটি সম্প্রসারণের ফলে কোন দূর্ঘটনার শঙ্কা নেই বললেন জেলা শিক্ষা কৌশল অধিদপ্তর। কারন হরিজেন্টাল আর ভার্টিক্যাল প্রক্রিয়ায় হচ্ছে নির্মাণ কাজটি।

জানা গেছে, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ৯ নং ভোলাকোট ইউনিয়নের নাগমুদ বাজার উচ্চ বিদ্যালয় সম্প্রসারনের কাজ করা হচ্ছে। এক্সটেনশনসহ ৫টি কক্ষ ও একটি টয়লেট নির্মাণের জন্য বরাদ্ধ হয় ১ কোটি ৬ লাখ টাকা। কাজটি করা হবে হরিজেন্টাল ও ভার্টিক্যাল প্রক্রিয়ায়।

সে অনুযায়ী বুধবার (০৪ সেপ্টেম্বর) ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিসান এন্টার প্রাইজ একতলা বিশিষ্ট পুরাতন ভবন (১৯৯৮-৯৯ অর্থ বছরে নির্মিত) দ্বিতলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন। সেখানে কাজটি করতে গিয়ে স্থানীয়দের বাধাঁর মুখে পড়েন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি। কিছু সময় পর আবার শুরু হয় কাজটি।

কয়েকজন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা জানান, পুরাতন ভবনটির বিভিন্ন যায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। খসে পড়ছে পলেস্তরা। নষ্ট হয়ে গেছে দেওয়ালের অধিকাংশই। এ ঝুঁকিপূর্ণ একতলা ভবনকে দ্বিতলা করলে যেকোন সময় বড় কোন দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের কয়েকবারই বলা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও বিপজ্জনক ভবনের সম্প্রসারণের কাজ করছেন।

আরও পড়ুন:
ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক
বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

সম্প্রসারণের বিষয়ে কিছুই জানেন না বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক এ এফ এম আবদুস সালাম। তাইতো বিষয়টি নিয়ে কোন মন্তব্য করেননি তিনি। তবে দরপত্র অনুযায়ী কাজ করছেন বলে জানালেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আলতাফ হোসেন।

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত) দিপংকর খীসা বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীগণ সরেজমিনে পরিদর্শন করে বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনটি দ্বিতলা করা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সে অনুযায়ী দরপত্র হয়েছে। তবে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ নয় বলে জানান তিনি। তাছাড়া হরিজেন্টাল ও ভার্টিক্যাল প্রক্রিয়ায় সম্প্রসারণের কাজ করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনতাসির জাহান বলেন, বিষয়টি শুনেছি। খোঁজ নিয়ে সত্যতা মিললে জেলা প্রশাসককে বিষয়টি জানানো হবে। পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সেপ্টেম্বর  ১২, ২০১৯ at ২০:০৯:৩০ (GMT+06)
দেশদর্পণ/আহা/আক/একে/কেএ