যৌবন ভাটায় পুড়ছে গাইবান্ধার মানস নদী

150

জেলা প্রতিনিধি, গাইবান্ধা : গাইবান্ধা সদর উপজেলার মানস নদী। দারিয়াপুর বন্দরের কোল ঘেঁষে পাঁচ ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে বর্তমানে প্রবাহমান। এক সময়ের খরস্রোতা মানস নদীতে এখন রয়েছে শুধু এক হাঁটু পানি, কোথাও আবার তাও নেই। নদীতে নৌকা নেই। নেই মাঝির ভাটিয়ালি গান। এখন আর জেলের জাল পড়ে না নদীর বুকে। যৌবন হারিয়ে মানস এখন মৃত প্রায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মানস নদী এখন কৃষি জমিতে পরিণত হয়েছে। ধানের বীজতলায় ছেয়ে গেছে নদীর বুক। সকাল থেকেই কৃষকের ব্যস্ততা বীজতলাগুলোতে। ভোরের কুয়াশায় ভিজে একাকার বীজতলার কচি পাতা। যেন সবুজের সমারোহে শীতের হানা।

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জুলফিকার চঞ্চল বলেন, গাইবান্ধা সদর উপজেলার অধিকাংশ নদ-নদীর একই চিত্র। দিন দিন পানি শূন্যতা আর ড্রেজিং না হওয়ায় নদী হারিয়েছে নাব্যতা। ফিকে হয়ে বসেছে নদীর চিরচেনা যৌবন।

মানস নদীর তীরবর্র্তী বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম জানান, এক সময় মানস নদী ছিল যৌবনে টউ টম্বুর কিন্তু বর্তমানে তা আর নেই। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন থেকে মানস নদী ড্রেজিং না করার ফলে নদী তার গতিপথ হারিয়ে ফেলেছে।

স্কুল হাজির বাজারের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, এক সময় নদীতে জেলেরা মাছ ধরতো, মাঝি-মাল্লারা গলা ছেড়ে ভাটিয়ালি গান গাইতো কী না মজাই হইতো তখন। কিন্তু এখন আর তা চোঁখে পড়েনা ।

দেশদর্পণ/এসকে/আরএইচ

Print Friendly, PDF & Email